ঢাকা: দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে ঢাকার পূর্বাচলে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বলেছিলেন- ‘উই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।’ সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যা আজ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই ব্যাখ্যা দেন। এসময় তিনি বলেন, জনগণের ভাগ্যোন্নয়নের সমস্ত কাজই তার ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যানের’ অংশ। এবার একটি জনমুখী বাজেট পেশ করা হয়েছে এবং সবাই বলছে এই বাজেট মানুষের উপকারে আসবে। কিন্তু কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বাজেট নিয়ে সমালোচনা করছে এবং বাজেট পেশ করার আগেই তারা ‘মানি না, মানব না’ বলে রাস্তায় নেমে গেছে।
সদ্য ঘোষিত বাজেটের বিপক্ষে রাস্তায় নেমে মিছিল করায় জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা বাজেট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় নেমে এর বিপক্ষে মিছিল করে তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না।
দিনভর কক্সবাজারে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর রাতে তিনি এই জনসভায় যোগ দেন। তিনি আরও বলেন, বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার আগেই কিছু মানুষ রাস্তায় নেমে পড়ল। জনগণের বাজেট নিয়ে যারা এই ধরনের সমালোচনা করে, তারা আসলে জনগণের জন্য রাজনীতি করে না। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে যারা জান্নাতের টিকিট বিক্রির প্রলোভন দেখিয়েছিল এবং টিকিট বিক্রি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছিল, তারাই এখন দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে। তাদের বিষয়ে দেশের মানুষকে সজাগ থাকতে হবে এবং তারা কখনোই জনগণের প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজেটে নিত্যপণ্যের দামের ক্ষেত্রে ট্যাক্স প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বাজেট পেশ করার পরে অতীতের মতো বাজারে কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি। যারা গণমুখী কাজ নিয়ে বিক্ষোভ করে, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী চকরিয়া-কক্সবাজার সড়ক চার থেকে ৬ লেন করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি আরও বলেন, চাষিরা যেন ন্যায্যমূল্য পান সেজন্য শিগগিরই লবণের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।