ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সরকার নীতিগতভাবে ৪টি বিষয়কে প্রধান বিবেচনায় রেখেছে। অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বাজেটে ঘোষিত পরিকল্পনা সরকার ৩টি ধাপে বাস্তবায়ন করবে, যাকে ‘থ্রি-আর’ কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে। এছাড়া অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে ৩টি লভ্যাংশ অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) সকালে নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এসব বিষয় তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।
‘প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের কিছু মূলনীতি ‘ শিরোনামে মাহদী আমিনের ফেসবুক স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলো-
বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ৪ বিষয়কে প্রাধান্য-
- ভ্যালু ফর মানি, অর্থাৎ সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার
- রিটার্ন অন ইনভেস্ট, অর্থাৎ জনগণের সম্পদ যেসকল প্রকল্পে বিনিয়োজিত হচ্ছে তার কার্যকর অর্থনৈতিক সুফল মূল্যায়ন
- জব ক্রিয়েশন, অর্থাৎ সরকারের বিনিয়োগের সুনির্দিষ্টভাবে কর্মসংস্থান তৈরিতে ভূমিকা
- এনভায়রনমেন্ট কনসিডারেশন, অর্থাৎ প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষার দিকে সজাগ দৃষ্টি
অর্থনীতির গতি সঞ্চারের থ্রি আর স্ট্রাটেজি-
- রিকভারি এন্ড স্ট্রাবিলিজেশন: অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কার্যক্রম, যা ১ বছর মেয়াদি
- রেস্টোরেশন: অর্থনীতির উত্তরণ, যা বর্তমান সরকারের ১-৩ বছর মেয়াদের মধ্যে সম্পন্ন হবে
- রি-কনস্ট্রাকশন ফর একসেলেরেশন: সমৃদ্ধ অর্থনীতি বিনির্মাণ, যা আগামী ৫ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে
যে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে-
- সবার জন্য উন্নয়ন
- সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা
- সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা
- বিনিয়োগ-নির্ভর, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি
- বিনিয়ন্ত্রণকরণ
- আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা
- জ্বালানি নিরাপত্তা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ
- প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা
- স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা
অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে যে ৩টি লভ্যাংশ অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে-
- ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট
- লংজিভিটি ডিভিডেন্ট
- ডেমোক্রেটিক ডিভিডেন্ট
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।