ঢাকা: সন্ত্রাসীরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পাবে না, ওঠার আগেই দমন করা হবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার।
তিনি বলেন, রাজধানীতে অপরাধ দমনে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে। তালিকা ধরে ধরে তাদের নির্মূল করা হবে।
শনিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
কমিশনার বলেন, বর্তমানে আগের মতো বড় ধরনের শীর্ষ সন্ত্রাসী নেই, তবে তাদের সহযোগী বা নতুনভাবে অপরাধ জগতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। আমাদের মনিটরিং ও পর্যবেক্ষণ অব্যাহত। কেউ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার আগেই তাদের দমন করা হবে।
মো. সরওয়ার বলেন, কারওয়ান বাজার এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ডিএমপির পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটসহ বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নতুন স্থাপিত পুলিশ ক্যাম্পটি মূলত এ এলাকায় চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে।
ক্যাম্পে সার্বক্ষণিক পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গোপন বা প্রকাশ্যে তথ্য দিলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ফোর্স বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরীতে এরই মধ্যে চাঁদাবাজি ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গোপন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ঢাকায় অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, কোনো থানায় মামলা না নিলে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট জোনাল সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি), ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) কিংবা ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কারওয়ান বাজার এলাকায় অপরাধীদের গ্রেফতার এবং অপরাধ শূন্যে নামিয়ে আনতেই এই ক্যাম্প চালু করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরজুড়ে চাঁদাবাজসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।