ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী বলেছেন, ‘আমাদের সরকারের এই ৬০ দিনের সবচাইতে বড় অর্জন বাংলাদেশের জনগণ তারেক রহমানকে বিশ্বাস করেছে। আর তারেক রহমান বাংলাদেশের জনগণকে বিশ্বাস করেছেন। আমার কাছে মনে হচ্ছে, এই অর্জনটা সবচেয়ে বড় অর্জন।’ তিনি বলেন ‘গত দুই মাসে সরকার জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। জনগণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টায় তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মাহফুজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ প্রেস সচিব মুস্তফা জুলফিকার হাসান, মো. সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক খান ও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ারসহ প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে সালেহ শিবলী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জনগণের মধ্যেই আছেন, জনগণের মধ্যে থাকছেন। তিনি নিরাপত্তার তোয়াক্কা করছেন না।’ তিনি বাস্তায় চলাচলের সময় বিশেষ কোনো প্রটোকল নিচ্ছেন না। এতে করে রাস্তায় অতিরিক্ত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তার প্রত্যেকটি তিনি পালন করার চেষ্টা করছেন। দেশের প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিজয়ী প্রার্থীরা নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার সময় নানা রকম প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বিএনপি যে ৩১ দফার কথা বলছে, বিএনপির যে নির্বাচনী ইশতেহার এটি নিয়ে গত দুই থেকে আড়াই বছর জনগণের মুখোমুখি হয়েছে। প্রত্যেক প্রার্থী জনগণের কাছে গিয়ে এই ৩১ দফা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন, কথা বলেছেন। জনগণের রায় নিয়েছেন। এরপর তার আলোকে আমরা নির্বাচনী ইশতেহার করেছিলাম।’
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, আমরা মনে করছি জনগণের কাছে নির্বাচনি ইশতেহারে যে সমস্ত কথাগুলো বলা হয়েছিল, এ সমস্ত প্রতিশ্রুতি জনপ্রতিনিধিরা পালন করছেন কি না, এটা যার যার সংসদীয় আসনের ভোটাররা, যারা ভোট দিয়েছেন তারা নিজেদের এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কাছে এটা অধিকার আছে এবং তাদের জানা উচিত।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে সালেহ শিবলী বলেন, বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়েও অনেক মিথ্যাকে সত্যের মতো করে ছড়িয়ে দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চলছে। আমরা আশা করি জনগণকে তথ্য জানার সুযোগ রাখলে জনগণ বিভ্রান্ত হবে না। সুতরাং মূল ধারার গণমাধ্যম দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনগণের সামনে নিজেদের ক্রেডিবিলিটি প্রতিষ্ঠা করতে পারলে সোশ্যাল মিডিয়ার সত্য মিথ্যা যাচাই জনগণের জন্য সহজ হয়ে যাবে।