ওমান উপসাগরে ইরানের পণ্যবাহী একটি জাহাজে রোববার (১৯ এপ্রিল) গুলি চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ডেস্ট্রয়ার। এরপর জাহাজটিকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। এ ঘটনার জবাব শিগগিরই দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাজটি মার্কিন নৌ অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ।
ইরানের আধা–সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজে প্রকাশিত দেশটির ‘হজরত খাতাম আল–আম্বিয়া’ সামরিক সদর দফতরের এক বিবৃতিতে জাহাজটি আটকের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও সমুদ্র জলদস্যুতার মাধ্যমে আগ্রাসী আমেরিকা ওমান সাগরের জলসীমায় ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে। তারা জাহাজটিতে গুলি করেছে এবং তাদের বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী মেরিন সেনাকে ওই জাহাজের ডেকে নামিয়ে সেটির নেভিগেশন (দিকনির্দেশনা) ব্যবস্থা বিকল করে দিয়েছে।’
ইরানের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টার খাতাম আল-আম্বিয়ার এক মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শিগগিরই এই সশস্ত্র জলদস্যুতা ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে জবাব দেবে, প্রতিশোধ নেবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই ইরানি সামরিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, দেশটি ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে বলেন, ইরানি জাহাজটি থামার সতর্কতা উপেক্ষা করে। তখন যুক্তরাষ্ট্রের গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস স্প্রুয়ান্স সেই জাহাজটির ইঞ্জিনরুমে গর্ত করে সেটিকে সেখানেই থামিয়ে দেয়। এই মুহূর্তে জাহাজটি মার্কিন মেরিন সেনাদের হেফাজতে রয়েছে। জাহাজে কী আছে, তা পরীক্ষা করে দেখছেন তারা।