Monday 10 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

নোয়াখালীতে এসএসসিতে শতভাগ পাসে শীর্ষে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১০ আগস্ট ২০২৬ ১৯:০৩

নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা।

নোয়াখালী: কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে নোয়াখালী জেলায় সেরা ফলাফল করেছে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশাপাশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫২ জন।

তবে কুমিল্লা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার মধ্যে পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে নোয়াখালী। জেলায় এবার সার্বিক পাসের হার ৫৯.৯৮ শতাংশ, যা কুমিল্লা বোর্ডের গড় পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশের চেয়ে ৫.৪৪ শতাংশ পয়েন্ট কম।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ১৫২ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। গতবারের ধারাবাহিকতায় এবারও বিদ্যালয়টি জেলার মধ্যে ফলাফলে শীর্ষে।

বিজ্ঞাপন

জেলায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নোয়াখালী জিলা স্কুল। এ বিদ্যালয় থেকে ২৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৩০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩১ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৯৮.২৯ শতাংশ।

জেলাভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নোয়াখালীতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের অংশগ্রহণ ও পাসের হার বেশি। এ বছর জেলায় ১০ হাজার ৩৫৭ জন ছেলে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬ হাজার ৮ জন। অন্যদিকে ১৪ হাজার ৭২৬ জন মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৯ হাজার ৩৮ জন।

এবার নোয়াখালী জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২১৭ জন শিক্ষার্থী। শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা চারটি। গত বছর জেলায় পাসের হার ছিল ৪০.৪৩ শতাংশ। এবার তা বেড়েছে।

উপজেলাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা। এ উপজেলায় পাসের হার ৬৮.৬৮ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে নোয়াখালী সদর উপজেলা। এ উপজেলার শিক্ষার্থীরা পেয়েছে সর্বোচ্চ ৬৩০টি জিপিএ-৫। সবচেয়ে কম ভালো ফল করেছে হাতিয়া উপজেলা, যেখানে পাসের হার ৪৮.৭০ শতাংশ।

নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করার বিষয়ে বলেন, ‘শিক্ষকদের কঠোর নজরদারি, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, অভিভাবকদের সঠিক তত্ত্বাবধায়ন এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি তীব্র নজরধারী ও তাদের কঠোর অধ্যাবসায়ই এ সাফল্যের মূল কারণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত বছরেও এই বিদ্যালয়টি জেলায় ফলাফলে শীর্ষস্থানে ছিল। আগামী বছরেও ফলাফল শতভাগ করার জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা নিয়ে পাঠদান করানো হবে।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর