Wednesday 08 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মাভাবিপ্রবিতে মিশর-আর্জেন্টিনার খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, সহকারী প্রক্টর আহত

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৮ জুলাই ২০২৬ ১৩:১৩ | আপডেট: ৮ জুলাই ২০২৬ ১৩:১৭

বসার স্থান নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত।

টাঙ্গাইল: বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা ও মিশরের খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহকারী প্রক্টরসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত প্রায় ১০টার দিকে খেলা শুরুর আগে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বসার স্থান নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স (এফটিএনএস) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।

বিজ্ঞাপন

প্রক্টরিয়াল বডির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে এলেও খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এফটিএনএস ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ বাধে। এ সময় তৃতীয় অ্যাকাডেমিক ভবনের পাশে তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসে ইটের টুকরা পড়ে আছে।

আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা তৃতীয় অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে এবং এফটিএনএস ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা জননেতা আব্দুল মান্নান হলের সামনে অবস্থান নেন। পরে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগে ফিরে গেলেও রাত আনুমানিক ১টার দিকে প্রথম অ্যাকাডেমিক ভবনে আইসিটি, এফটিএনএস, পরিসংখ্যান ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে ভবনের জানালার কাচ ও সামনের ফুলের টব ভাঙচুর করা হয়। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডি ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল পর্যন্ত আহত সাত শিক্ষার্থী টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গুরুতর আহত একজনকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আবদুল কুদ্দুস আহত হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মনির মোর্শেদ বলেন, ‘একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও শিক্ষকরা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘উপাচার্য মহোদয় এবং এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর