চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইদ্রিস আলী (৫০) নামে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম নগরীর বেসরকারি ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইদ্রিস আলীর বাড়ি জামালপুরে। গত ১৪ আগস্ট সকালে দুর্ঘটনার পর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছয়দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর ইদ্রিস আলীকে অসুস্থ অবস্থায় ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়েছে।
ন্যাশনাল হাসপাতালের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. ফারুক বলেন, গতকাল ইদ্রিস নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি দুর্ঘটনার দিন থেকে হাসপাতালের আইসিইউয়ে (নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) ভর্তি ছিলেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য দফতরে জানানো হয়েছে।
এর আগে, ১৪ আগস্ট সকালে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে পুরোনো জাহাজ ‘এমটি রাসি’র ব্যালাস্ট ট্যাংক কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হন শ্রমিকরা। এতে ৯ জনের মৃত্যু হয়। আহত অবস্থায় আরও ছয়জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ইদ্রিস আলীও ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিংয়ের সব কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একাধিক তদন্ত কমিটিও কাজ করছে।