Monday 15 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বাবা দিবসে হৃদয় ছুঁতে আসছে বিশেষ গান ‘বাবাকে মনে পড়ে’

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক
১৫ জুন ২০২৬ ১৪:৫৫

বাবা— একটি শব্দ, যার ভেতর জড়িয়ে থাকে নির্ভরতা, ভালোবাসা, ত্যাগ আর অসংখ্য স্মৃতির আবেগ। সেই অনুভূতিকে কেন্দ্র করে বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে আগামী ২১ জুন ২০২৬ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বিশেষ গান ‘বাবাকে মনে পড়ে’। ভিশন ২৪ টিভির উদ্যোগে নির্মিত এই আবেগঘন গানটি বাবা ও সন্তানের চিরন্তন সম্পর্কের গল্পকে সুরে-ছন্দে নতুনভাবে তুলে ধরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শহীদ খোন্দকার টুকু এবং কলকাতার খ্যাতিমান শিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য। গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন বিশিষ্ট সুরকার জাহিদ হোসেন। আর এর কথামালায় আবেগের ছোঁয়া দিয়েছেন কবি অনিরুদ্ধ আলম।

বিজ্ঞাপন

‘বাবাকে মনে পড়ে’ মূলত বাবাকে ঘিরে স্মৃতিময় অনুভূতি, না-পাওয়ার বেদনা, অভিমান এবং তাকে কাছে পাওয়ার গভীর আকাঙ্ক্ষার এক আবেগময় সঙ্গীত-নিবেদন। গানের প্রতিটি শব্দ ও সুরে ফুটে উঠেছে পিতৃস্নেহের উষ্ণতা, শৈশবের স্মৃতি এবং সময়ের ব্যবধানে জমে থাকা অনুভূতির গল্প। বিশেষ করে যাদের জীবনে বাবা এখন স্মৃতির অংশ হয়ে আছেন, তাদের হৃদয়ে গানটি আলাদা আবেগ তৈরি করবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

জানা গেছে, গানটির সুর ও সংগীত বিন্যাসের কাজে প্রায় এক বছর ধরে নিবিড়ভাবে সময় দিয়েছেন সুরকার জাহিদ হোসেন। দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির পর বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে কণ্ঠধারণের কাজ কিছুটা বিলম্বিত হয়। তবে চলতি মাসের ৬ জুন ২০২৬, কলকাতার অজিতেশ মঞ্চে একক সঙ্গীতানুষ্ঠানে অংশ নিতে গেলে শিল্পী শহীদ খোন্দকার টুকুর কণ্ঠে গানটির অডিও ধারণ করা হয়। সুরকার জাহিদ হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কলকাতার আপটেম্পো সাউন্ড স্টুডিওতে সম্পন্ন হয় রেকর্ডিংয়ের কাজ। গানটিতে তার সঙ্গে যৌথভাবে কণ্ঠ দিয়েছেন শিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য, যা গানটিকে আরও বৈচিত্র্যময় ও আবেগঘন মাত্রা দিয়েছে।

এদিকে, গানটির সংগীতায়োজন করেছেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ও সংগীত-আয়োজক চিরন্তন ব্যানার্জী। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আধুনিক সংগীতায়োজনের সঙ্গে আবেগঘন কথামালা ও হৃদয়স্পর্শী কণ্ঠের মেলবন্ধন শ্রোতাদের মনে বিশেষ আবেদন তৈরি করবে।

আয়োজকদের বিশ্বাস, বাবা দিবসে প্রকাশিত হতে যাওয়া ‘বাবাকে মনে পড়ে’ শুধু একটি গান নয়, বরং বাবা-স্মৃতিকে নতুনভাবে অনুভব করার এক আবেগী উপলক্ষ হয়ে উঠবে। বাংলাদেশ, কানাডা ও ভারতের শিল্পী ও সংগীত সংশ্লিষ্টদের সম্মিলিত প্রয়াসে নির্মিত এই গানটি দেশ-বিদেশের বাংলা ভাষাভাষী দর্শক-শ্রোতাদের কাছেও ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।