Saturday 09 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মেগা প্রজেক্টের নামে ১৬ বছর মেগা ডাকাতি হয়েছে: সারজিস আলম

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৩ মে ২০২৬ ২১:২৭ | আপডেট: ৪ মে ২০২৬ ১০:২৯

ঢাকা: বাংলাদেশে গত ১৬ বছরে মেগা প্রজেক্টের আড়ালে মেগা ডাকাতি সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে যেসব মেগা প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছিল, তার অনেকগুলোই এখন দীর্ঘমেয়াদে এদেশের সাধারণ মানুষের ওপর বিশাল এক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রোববার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত জাতীয় কনভেনশনে তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম তার বক্তব্যে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিংবা বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তিকে নিয়ে নানা সমালোচনা হচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপির পক্ষ থেকেও সরকারের সমালোচনা শোনা যাচ্ছে। তবে এই সমালোচনার ভিড়ে বিগত ১৬-১৭ বছরের ভয়াবহ লুটপাটের ইতিহাস যেন কেউ ভুলে না যায়, সেই আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, অতীতের এই শোষণের ইতিহাস সব সময় আলোচনায় রাখতে হবে। কারণ ইতিহাস ভুলে গেলে ভবিষ্যতে আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, তারা দর্শক হয়ে বসে থাকবে আর অন্যরা লড়াই করবে এমন পরিস্থিতি আর হতে দেওয়া হবে না।

বিজ্ঞাপন

ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা তুলে ধরে সারজিস আলম বলেন, আগামীতে যেন মেগা প্রজেক্টের নামে আর কোনো মেগা ডাকাতির সুযোগ না থাকে। শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে কোনো বিশেষ ঠিকাদার বা সিন্ডিকেটকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে তিনি দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়া ঋণ খেলাপি সংস্কৃতি এবং অর্থ পাচার বন্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি বিশেষ বার্তা দেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের উচিত আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব নেওয়া। তাদের প্রতি তার হুঁশিয়ারি ছিল যে, বাইরের কোনো চাপ বা অভ্যন্তরীণ প্রভাব যতই আসুক না কেন, জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আর কোনো লুটপাটের সুযোগ দেওয়া হবে না। জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা আর বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

সারাবাংলা/এফএন/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর