Friday 10 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বিশ্বকাপ ২০২৬ / যত রেকর্ড হলো ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
১০ জুলাই ২০২৬ ১২:৫৩

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স। ম্যাচে গোল করেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে ও উসমান দেম্বেলে। দুর্দান্ত এই জয়ে একাধিক ব্যক্তিগত ও দলীয় রেকর্ডও হয়েছে।

ম্যাচে গোল করে চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ৮-এ নিয়ে গেছেন এমবাপে। একই সংখ্যক গোল থাকলেও ৩টি অ্যাসিস্ট থাকায় গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে গেছেন লিওনেল মেসির থেকে।

এমবাপের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের গোলসংখ্যা এখন ২০, যা ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তার ওপরে রয়েছেন শুধু মেসি, যার গোল ২১টি। এছাড়া বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে এমবাপের অবদান দাঁড়িয়েছে ১৪টি, যা গত ৬০ বছরে মেসির সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ।

বিজ্ঞাপন

আরও একটি অনন্য কীর্তি গড়েছেন ফরাসি এই তারকা। ১৯৬৬ সালের পর প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে ১০ বা তার বেশি গোলে অবদান রাখলেন তিনি। ২০২২ সালে তার অবদান ছিল ১০টি, আর ২০২৬ বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে ১১টি।

অন্যদিকে, উসমান দেম্বেলে বিশ্বকাপে নিজের পঞ্চম গোলের দেখা পেয়েছেন এবং পাঁচটিই এসেছে চলতি আসরে। এমবাপের ৮ ও দেম্বেলের ৫ গোল মিলিয়ে ২০০২ সালের পর প্রথমবার কোনো বিশ্বকাপে একই দলের দুই সতীর্থ পাঁচ বা তার বেশি গোলের কীর্তি গড়লেন।

ফ্রান্সের আক্রমণভাগে এমবাপে, দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসে মিলে এখন পর্যন্ত ২৩টি গোলে অবদান রেখেছেন, যা ২০০২ সালের ব্রাজিলের কিংবদন্তি ত্রয়ী রোনালদো–রিভালদো–রোনালদিনহোর ২০ গোল অবদানকেও ছাড়িয়ে গেছে।

দলীয় অর্জনেও ইতিহাস গড়েছে ফ্রান্স। ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬—টানা তিনটি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে জার্মানি ও ব্রাজিলের পর তৃতীয় দল হিসেবে এই কীর্তি গড়েছে তারা। এটি ফ্রান্সের অষ্টম বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল, যা ব্রাজিলের সমান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ; শীর্ষে রয়েছে জার্মানি (১২)।

এছাড়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সের মোট জয় এখন ৪৫, যা ইতালির সমান যৌথভাবে চতুর্থ সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে দিদিয়ের দেশমের অধীনে এমবাপে খেললেন নিজের ২০তম বিশ্বকাপ ম্যাচ, যা একই কোচের অধীনে কোনো খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার রেকর্ড।

যদিও ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন এমবাপে। এর মাধ্যমে ফ্রান্সের জার্সিতে টানা ১৫টি সফল পেনাল্টির গোলের রেকর্ড ভেঙে যায়। অন্যদিকে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে (টাইব্রেকারসহ) যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারটি পেনাল্টি সেভের রেকর্ডে নাম লেখান।

এদিকে ১৮ বছর ২৮০ দিন বয়সে মরক্কোর আইয়ুব বুয়াদ্দি বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা ইতিহাসের দ্বিতীয় কনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে নাম লেখান। এই তালিকায় এখনো শীর্ষে আছেন ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলে।

সারাবাংলা/এসএইচএস