সিলেট টাইটান্সের ১৭৩ রানের জবাব দিতে নেমে নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাচ্ছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। কিন্তু মিডল অর্ডারে নেমে ঝড় তুলতে থাকেন ঢাকার অলরাউন্ডার শামীম হোসেন পাটোয়ারী। শামীম ঝড় শেষ পর্যন্ত অবশ্য জেতাতে পারেনি তার দল ঢাকাকে।
৪৩ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত ছিলেন শামীম। তবু তার দল ঢাকা শেষ পর্যন্ত ৬ রানে হেরেছে। দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে ঢাকার এটা প্রথম হার। অপর দিকে তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে দ্বিতীয় জয় তুলে নিল সিলেট।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারী) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৭৩ রানের জবাব দিতে নেমে শুরুতে সিলেটের পেসার মোহাম্মদ আমিরের পেস আগুনে পুড়েছে ঢাকা। প্রথম দুই ওভারে মাত্র ১ রান তুলে এক উইকেট হারায় দলটি। নতুন বলে ঢাকার ব্যাটারদের নাজেহাল করে ছেড়েছেন পাকিস্তানি পেসার আমির। নিজের কোটার প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১০ রান খরচ করে নেন ২ উইকেট।
সিলেটের অপর বোলার নাসুম আহমেদ, আজমতউল্লাহ উমরজাইরাও নিয়মিত উইকেট তুলে নিচ্ছিলেন। যাতে ৪৩ রানেই পঞ্চম উইকেট হারিয়ে বসে ঢাকা। তবে শামীম হোসেন পাটোয়ারী একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটে ঝড় তুলে যাচ্ছিলেন। মোহাম্মদ আমিরের করা ইনিংসের শেষ ওভার থেকেই তুলে নেন ২০ রান। তবু শেষের হিসেব মিলাতে পারেননি শামীম।
ঢাকার ইনিংস ২০ ওভারে শেষ পর্যন্ত থেমেছে ১৬৭ রানে। শামীম তখন ৪৩ বলে ৯টি চার ৩টি ছক্কায় ৮১ রানে অপরাজিত। এছাড়া ঢাকার অপর ব্যাটার সাব্বির রহমান ১৯ বলে করেন ২১ রান। সিলেটের পক্ষে ৪০ রানে চার উইকেট নিয়েছেন আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ উমরজাই।
সিলেটের বড় সংগ্রহেও বড় অবদান এই আফগান অলরাউন্ডারের। ছয় নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ২৪ বলে ৫টি চার ৩টি ছয়ে করেছেন ৫০ রান। এছাড়া তিনে নেমে পারভেজ হোসেন ইমন ৩২ বলে ২টি করে চার-ছয়ে ৪৪ রান করেন। যাতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান তোলে আগে ব্যাটিং করতে নামা সিলেট টাইটান্স।
ঢাকার হয়ে সালমান মির্জা ২টি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও সাইফ হাসান।