জয়ের জন্য ইনিংসের শেষ ৩ ওভারে ২৪ রান প্রয়োজন ছিল সিলেট টাইটান্সের। ১৮তম ওভারে বোলিং করতে এসে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পেসার মেহেদি হাসান রানা হ্যাটট্রিক তুলে নেন। সেই ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন রানা। পরের ওভারে মাত্র ৬ রান খরচ করেন হাসান মাহমুদ। ফলে শেষ ওভারে ১৩ রান দরকার ছিল সিলেটের। এক চার- এক ছয়ে সেই সমীকরণ মিলিয়েছেন সিলেটের ইংলিশ ক্রিকেটার ইথান ব্রুকস।
শেষ বলে জয় নিশ্চিত হয়েছে সিলেটের। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য ১৪৪ রান তোলে সিলেট। এর আগে ব্যাটিং করে ১৪৩ রান তোলে নোয়াখালী।
নোয়াখালীর এটা টানা দ্বিতীয় হার। অপর দিকে মেহেদি হাসান মিরাজের সিলেট প্রথম ম্যাচ রাজশাহীর কাছে হেরে আজ দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম জয় পেল।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নোয়াখালীর ১৪৩ রানের জবাব দিতে নেমে শুরুতেই বিপদে পরে সিলেট। দুই ওপেনার সাইম আইয়ুব আর রনি তালুকদার দুজনেই ব্যর্থ। প্রথম ম্যাচেও রান না পাওয়া সায়ুম আইয়ুব আজ শূন্য রানে আউট। অপর ওপেনার রনি তালুকদার ফিরেছেন ৯ রান করে।
তবে এরপর জাকির হাসান ও অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজকে নিয়ে দলকে টেনেছেন পারভেজ হোসেন ইমন। ৪১ বলে ৬টি চার ২টি ছয়ে ৬০ রান করেছেন ইমন। দুই দলের মধ্যে এই ইনিংসটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। মিরাজ ৩৭ বলে ৩৩ রান করেছেন ২টি চারের সাহায্যে। নোয়াখালীর হয়ে ৩৪ রান খরচায় হ্যাটট্রিকসহ চারটি উইকেট দখল করেছেন।
এর আগে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ব্যাটে ১৬৩ রানের সংগ্রহ গড়েছে নোয়াখালী। পাঁচে নেমে ১টি চার, তিনটি ছক্কায় ৫১ বলে ৬০ রান করেন। এছাড়া জাকের আলি অনিক ১৭ বলে ২৯ রান করেন। সিলেটের হয়ে পেসার খালেদ আহমেদ ২৩ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন।