Wednesday 08 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেল তুরস্কের মুদ্রাস্ফীতি, গভীর সংকটে অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩ জানুয়ারি ২০২২ ১৫:১১ | আপডেট: ৩ জানুয়ারি ২০২২ ১৭:৪১

তুরস্কের বাৎসরিক মুদ্রাস্ফীতি সকল পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬.০৮ শতাংশ। ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরের পর মুদ্রাস্ফীতির এ মাত্রা সর্বোচ্চ। এছাড়া গত এক বছরে মার্কিন ডলারের বিপরীতে তুরস্কের মুদ্রা লিরার মান কমেছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য যে, রয়টার্সের বিশ্লেষকরা পূর্বাভাসে বলেছিলেন, বছর শেষে দেশটিতে বাৎসরিক মুদ্রাস্ফীতি ৩০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছাবে। এছাড়া ব্লুমবার্গের বিশ্লেষকরা পূর্বাভাসে বলেছিলেন, বছর শেষে মুদ্রাস্ফীতি দাঁড়াবে ২৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। দৃশ্যত, বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গেছে তুরস্কের বাৎসরিক মুদ্রাস্ফীতি।

বিজ্ঞাপন

দেশটির পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে ভোক্তা মূল্য সূচক বেড়েছে ১৩.৫৮ শতাংশ। পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে ভোক্তা মূল্য সূচকে। তুরস্কে পরিবহন খরচ এক বছরে বেড়েছে ৫৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এর সরাসরি প্রভাবে ভারী ওজনের খাদ্য ও পানীয়র দর বেড়েছে ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদক মূল্য সূচক ডিসেম্বরে বেড়েছে ১৯ দশমিক ০৮ শতাংশ, এবং এক বছরের ব্যবধানে এ সূচক বেড়েছে ৭৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। তুর্কি মুদ্রা লিরার ব্যাপক পতনের কারণে আমদানি মূল্য বৃদ্ধির প্রতিফলন ঘটেছে এ সূচকে।

এদিকে বছরের শুরুতেই শনিবার (১ জানুয়ারি) তুরস্কের এনার্জি মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি দর বেড়ে যাওয়ায় জানুয়ারি থেকে বিদ্যুৎ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী গৃহস্থালি বিদ্যুতের দর ১৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এছাড়া পেট্রল, গাড়ির বিমা ও কিছু সেতুর টুলের দামও বাড়ানো হয়েছে।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের দর বেড়েছে ২৫ শতাংশ এবং শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ। বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য গ্যাসের দর বেড়েছে ১৫ শতাংশ।

অন্যদিকে রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, সোমবার আরও এক দফা লিরার দরপতন হয়েছে। সোমবার মার্কিন ডলারের বিপরীতে তুরস্কের মুদ্রা লিরা মান হারিয়েছে আরও ৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন

সারাবাংলা/আইই
বিজ্ঞাপন

আরো