Tuesday 30 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বিপ্লব উদ্যানের অবৈধ বসার আসন অপসারণ, দোকান সরাতে ৭ দিন সময়


২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:১২ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:১৪
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম নগরীর বিপ্লব উদ্যানে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে নির্মিত স্থায়ী বসার আসন ভেঙে দিয়েছে সিটি করপোরেশন। সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্পের আওতায় উদ্যানে এক সারি আসন স্থাপনের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেটা লঙ্ঘন করে দুই সারি আসন ও দ্বিতীয় তলায় দোকান নির্মাণ করা হয়। চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত এক সারি আসন ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি দোতলার দোকানগুলো সরিয়ে নিতে সাতদিনের সময় দিয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) চসিকের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জাহানারা ফেরদৌস ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী যৌথভাবে বিপ্লব উদ্যানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় সেখানে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল ইসলামও ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২৫ আগস্ট বিপ্লব উদ্যানে পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে নির্মিত দোকান বন্ধের নির্দেশ দেন। তখন থেকেই মূলত দোতলায় নির্মিত দোকানগুলো বন্ধ আছে। সেগুলো স্থায়ীভাবে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সাতদিনের সময় দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর বিপ্লব উদ্যানের সৌন্দর্য বর্ধনের দায়িত্ব দেন রি-ফর্ম লিমিটেড ও স্টাইল লিভিং আর্কিটেক্টস লিমিটেড নামের দুটি প্রতিষ্ঠানকে। সেখানে দোতলা বিপণী বিতান নির্মাণ করা হয়। কিন্তু চসিক প্রশাসক পরিদর্শনে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের সঙ্গে করা চুক্তিতে দোতলায় দোকান নির্মাণের বিষয়টি ছিল না। চুক্তিতে ছিল, উদ্যানের পূর্ব পাশে প্রত্যেকটি ১৫০ বর্গফুটের মোট ২৫টি দোকান নির্মাণ করা যাবে। কিন্তু প্রতিটি দোকান করা হয় ২০০ বর্গফুটের। এছাড়া জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা সংকুচিত করে দোকানের সামনে বসার জন্য স্থায়ী আসন বানানো হয়।

চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল ইসলাম সারাবাংলাকে বলেন, ‘চুক্তিতে ২৫টি দোকানের কথা বলা হলেও দোতলাসহ সব মিলিয়ে ৪০টি দোকান নির্মাণ করা হয়। ২৫টি দোকানের আয়তনও চুক্তিতে উল্লেখ থাকা আয়তনের চেয়ে বাড়ানো হয়। দোকানের সামনে দুই সারি করে স্থায়ী বসার আসন বানানো হয়েছে। এক সারি আজ (সোমবার) ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। দোকানগুলো সাতদিনের মধ্যে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।’