Saturday 27 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

‘সেই হাসি’র ব্যাখ্যা দিলেন শাজাহান খান


১৫ এপ্রিল ২০১৯ ২২:১৫ | আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ২২:১৯
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: বাসচাপায় রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে হেসেছিলেন তৎকালীন মন্ত্রী শাজাহান খান। ওই হাসিতেই জ্বলে উঠেছিল ক্ষোভের আগুন। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ওই ঘটনার প্রায় সাড়ে ৮ মাস পর সেই হাসির ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও শ্রমিক নেতা শাজাহান খান।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে ১৪ দলের আয়োজনে ‘নিরাপদ সড়ক ও মাদকমুক্ত সমাজ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ ব্যাখ্যা দেন। শাজাহান খান জানান, তার ওই হাসির পেছনে দায়ী ছিল সাংবাদিকদের প্রশ্ন।

বিজ্ঞাপন

হাসি প্রসঙ্গে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা আমাকে সড়ক দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চেয়েছিলেন। তখন আমি বলেছিলাম এই ঘটনায় চালকের ত্রুটি থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সঙ্গে সঙ্গে এক সাংবাদিক বললো, আপনার আসকারা পেয়েই চালকরা এমন হয়েছে। তখন আমি কি বলবো, তাই একটু হেসেছিলাম, এই আমার দোষ।’

সড়কে বিরাজমান সমস্যা সমাধানে সব সরকারের আমলেই বিভিন্ন সুপারিশ আছে কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ায় সমস্যার সমাধান হয়নি জানিয়ে বৈঠকে শাজাহান খান বলেন, ‘সড়কে চাঁদাবাজির কথা বলা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় মোহাম্মদ নাসিম যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তখন চাঁদাবাজি বন্ধ হয়েছিলো। কারণ তখন আন্তরিকতা ছিলো তাই এটা সম্ভব হয়েছিলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘যানবাহনের চালকের অদক্ষতার কথা বলা হয়। চালকদের প্রশিক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। সরকার ১ লাখ চালককে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে কিন্তু সেটা আমাদের দেশের জন্য নয়, এই চালকদের বিদেশে পাঠানো হবে। পরিবহন সেক্টরে দক্ষ চালক তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অথচ আমরা চালকদের প্রশিক্ষণে ভর্তুকি দিতে পারছি না। সড়কের সমস্যা সমাধানে যে সুপারিশ আসে সেগুলো বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষ করে দিতে হবে।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে এ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া প্রমুখ।

সারাবাংলা/এনআর/এমও