Saturday 18 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

৩ বছরের মধ্যে কার্ড পাবেন আড়াই কোটির বেশি কৃষক: কৃষিমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৮ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৯

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ।

চট্টগ্রাম: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের কৃষকদের একটি সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যভান্ডার গড়ে তুলতে অনলাইনে কৃষক কার্ড নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রায় আড়াই কোটি থেকে ২ কোটি ৭০ লাখ কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম বছরেই ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নে কৃষক কার্ডের মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দেশব্যাপী কৃষক কার্ডের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৫ হাজার কৃষকের মধ্যে কৃষক কার্ড ইস্যু করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মো. আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রকৃত কৃষকদের একটি নির্ভুল ও হালনাগাদ ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি হবে। কৃষকদের দেওয়া সব তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে। এর ফলে কৃষি ভর্তুকি, প্রণোদনা, উন্নতমানের বীজ ও সার, কৃষিঋণ, কৃষিযন্ত্রসহ সরকারের বিভিন্ন সুবিধা প্রকৃত কৃষকদের কাছে দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, নিবন্ধনের সময় প্রত্যেক কৃষককে সঠিক তথ্য দিতে হবে। ভুল তথ্য দিলে ভবিষ্যতে সরকারি সেবা গ্রহণে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী নিবন্ধন বুথে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই, অনলাইন নিবন্ধন ও তথ্য সংরক্ষণের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে কোনো ধরনের হয়রানি, অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ না রাখার নির্দেশ দেন এবং প্রকৃত কৃষকদের তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম, চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক আপ্রু মারমা, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষকের জমির পরিমাণ, চাষাবাদের ধরন, উৎপাদিত ফসল এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এই তথ্যভাণ্ডারের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তা, প্রণোদনা ও কৃষি উন্নয়ন কর্মসূচি আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

সারাবাংলা/এসএন/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর