Thursday 27 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

বিশ্বকাপ ২০২৬ / আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচে যত রেকর্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
১২ জুলাই ২০২৬ ১৪:৩৫ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬ ১৬:৩৪

কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর এক জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ৩-১ গোলের দুর্দান্ত এক জয়ের রাতে হয়েছে অনেক রেকর্ডও।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ চার দলই উঠেছে সেমিফাইনালে। এমন ঘটনা বিশ্বকাপ ইতিহাসে দেখা গেল এই প্রথমবার।

অতীতে বিশ্বকাপ জেতা চার দলই সেমিফাইনালে উঠেছে—এমন ঘটনা বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয়বার। এর আগে ১৯৯০ ও ১৯৭০ আসরে চার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উঠেছিল সেমিফাইনালে।

সর্বশেষ চার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে উঠেছে তিনবার (২০১৪, ২০২২, ২০২৬)। ১৯৯৪ বিশ্বকাপ থেকে ২০১৪ বিশ্বকাপের আগপর্যন্ত একবারও সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি।

বিজ্ঞাপন
১৩

বিশ্বকাপে এ নিয়ে রেকর্ড ১৩ বার অতিরিক্ত সময়ে গেল আর্জেন্টিনার ম্যাচ। জিতেছে ১১ বার (টাইব্রেকারসহ)।

বিশ্বকাপে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনা গোল পেয়েছে ৯টি, যা সর্বোচ্চ।

সুইজারল্যান্ড এ নিয়ে চারবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে প্রতিবারই হারল (১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৫৪, ২০২৬)।

১১২ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের গোলটি বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সবচেয়ে দেরিতে গোল করার তালিকায় দ্বিতীয়। সবচেয়ে দেরিতে গোল করার রেকর্ড আনহেল দি মারিয়ার; ২০১৪ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার ১-০ গোলের জয়ে ১১৮ মিনিটে গোল করেন।

ম্যাক আলিস্টারের গোলে অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে ১০টি অ্যাসিস্টের মালিক হলেন মেসি। ১৯৬৬ সালের পর যা সর্বোচ্চ।

১০

মেসির ১০ অ্যাসিস্টে গোল করেছেন ১০ জন ভিন্ন খেলোয়াড়। এই আসরে মেসির গোলে অবদান ১০টি।

বিশ্বকাপে টানা ৯ ম্যাচ পর এই প্রথম গোল করতে ব্যর্থ হলেন মেসি। গোল করার বিচারে এই ম্যাচে মেসি যেন ‘ছুটি’তে ছিলেন!

হুলিয়ান আলভারেজের ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপ গোল ৫টি। এর মধ্যে ৪টি গোলই করেছেন নকআউট পর্বে। আর্জেন্টিনার হয়ে নকআউটে গোলসংখ্যায় ছুঁয়ে ফেলেছেন ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে। সর্বোচ্চ মেসির, ৭টি।

১০

আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে ইউরোপের দলগুলোর বিপক্ষে নিজের অপরাজিত থাকার রেকর্ড ১০ ম্যাচে নিয়ে গেলেন লিওনেল স্কালোনি। ইউরোপের দেশগুলোর বিপক্ষে তাঁর জয় ৭টি, ড্র ৩টি।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফাউলের অভিনয় করার জন্য দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখা চতুর্থ খেলোয়াড় ব্রিল এমবোলো। ২০০৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ঘানার আসামোয়াহ জিয়ানের পর তিনিই প্রথম এই কারণে লাল কার্ড পেলেন।

সারাবাংলা/এফএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর