ঢাকা: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে কোনো রাজনৈতিক হয়রানি করা হবে না বলে জানিয়েছেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সরকার কেবল প্রকৃত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পলাতক আসামিদের জন্য সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, পলাতক আসামিদের ন্যায্য বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ১৭টি মামলায় ৪৪ জন আইনজীবীকে স্টেট ডিফেন্স লইয়ার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গুম, খুন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর দ্রুত বিচার নিশ্চিতে দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে এই ট্রাইব্যুনালগুলোতে বিচার কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
বিচার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসম্পন্ন করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করা হয়েছে। নতুন এই সংশোধনীর ফলে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। এ ছাড়া ভার্চুয়াল শুনানি, ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ এবং সাক্ষীদের নিরাপত্তার জন্য বিধান রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আসামিদের দ্রুত বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। পলাতক থেকে বিচার এড়ানোর প্রবণতা রোধ করতে ট্রাইব্যুনালকে অভিযুক্ত ব্যক্তির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলোতে কাউকে হয়রানি না করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।