Sunday 07 Jun 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা বেলা ১১টায়

স্টাফ করেসপন্ডেট
৭ জুন ২০২৬ ১০:২৮ | আপডেট: ৭ জুন ২০২৬ ১০:৩৬

রামিসা হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন। ইনসেটে শিশু রামিশা।

ঢাকা: রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় আজ রোববার (৭ জুন) সকাল ১১টায় ঘোষণা করা হবে।

রোববার (৭ জুন) সকাল ১১টার দিকে রায় ঘোষণার সম্ভাবনার কথা নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ। তিনি জানান, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আদালতে আনা হয় তার স্ত্রী ও মামলার অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকেও। রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত দুজনকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য ৭ জুন দিন ধার্য করেন। মাত্র চার কার্যদিবসের মধ্যেই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। এর আগে ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় এবং ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনকালে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে কৌশলে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান স্বপ্না আক্তার। পরে মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে সোহেল রানার বাসার সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। একপর্যায়ে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতির ভেতরে তার কাটা মাথা দেখতে পান তারা।

ঘটনার পর জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২০ মে পল্লবী থানায় নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের বিচার ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে নিহত রামিসার পরিবারসহ সাধারণ মানুষ।

সারাবাংলা/টিএম/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর