ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার-এর সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ-এর সৌজন্য সাক্ষাতে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট দেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করছে। এই পরিস্থিতিতে শিল্প উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং জনগণের জীবন-জীবিকা সচল রাখতে সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি এ বিষয়ে বেসরকারি খাতের সঙ্গে আরও নিবিড় সংলাপ ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তাসকীন আহমেদ আরও বলেন, এ প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করতে হবে এবং উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।
বৈঠকে তিনি আরও উল্লেখ করেন, করোনা পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রভাবে দেশের সিএমএসএমই খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অথচ এই খাত দেশের মোট জিডিপিতে প্রায় ৩০ শতাংশ অবদান রাখে এবং শিল্পখাতে প্রায় ৮০ শতাংশ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। এ খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে স্বল্পসুদে ঋণ, সহজ ঋণপ্রাপ্তি, কর অব্যাহতি ও প্রণোদনা প্যাকেজ চালুর আহ্বান জানান তিনি।
মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে এবং শিল্পখাতকে গতিশীল করতে বেসরকারি খাতের সঙ্গে সংলাপ অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।
বৈঠকে ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।