ঢাকা: ঈদের পরে বিভিন্ন জায়গায় বিয়ে হচ্ছে, গহনা নেওয়ার ক্ষেত্রে কেউ যদি মনে করলে হোটেল বা কমিউনিটি সেন্টার থেকে বাড়ি পর্যন্ত প্রয়োজনে পুলিশ নিরাপত্তা দেবে।
রোববার (২২ মার্চ) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, আমরা জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলাম যে, ঈদের সময় থানায় স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিস রাখতে পারবেন। আবার ব্যাংকের ভল্টেও রাখতে পারেন। আর বিশেষ করে টাকা বা কোনো মূল্যবান গহনা পরিবহনের ক্ষেত্রে আমরা নিরাপত্তা দেবো। ঈদের পরে বিভিন্ন জায়গায় বিয়ে হচ্ছে, কেউ যদি মনে করে যে হোটেল বা কমিউনিটি সেন্টারে থেকে বাড়ি পর্যন্ত গহনা নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রয়োজন, তাহলে নিকটবর্তী থানায় বললে আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবো।
ঈদে ফাঁকা রাজধানীর নিরাপত্তার বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। নিরাপত্তার জন্য যেটুকু দরকার সেটুকু নিয়েছি। ডিএমপি কমিশনার ঈদের তিনদিন আগে থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শুরু করেছেন। আমরা কিন্তু সারাদিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা প্রত্যেকটা পয়েন্টে পরিদর্শন করে দেখেছি, আমাদের ফোর্স আছে কিনা। ঈদে খুব বড় ধরনের কোনো কিছু ঘটেনি, আমরা বাকি দিনগুলো ভালোভাবে পার করবো আশা করি।
ডিবির টহল বাড়বে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, দিনে আমাদের ৮০টি এবং রাতে ৪০টি টিম টহলে থাকে। তাছাড়া স্ট্যান্ড বাই দুইটা টিম আছে। কেউ যদি আমাদেরকে কোনো সময় কল করে বা কোনো সাহায্য চাই, আমরা কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে এটা রেসপন্স করি।
হাদির হত্যাকারীদের দেশের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা বহুবার বলেছি, যে মামলাটা এখন সিআইডির কাছে আছে। সিআইডি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে যোগাযোগ করছে।