সামনেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলবেন তারা। তবে সিরিজের আগে মাঠের লড়াইয়ের আগে আয়ারল্যান্ড দল ভাবছে অন্য এক ইস্যু নিয়ে। আফগান ক্রিকেটে নারীদের নিষিদ্ধ থাকার ইস্যুতে খানিকটা ‘অস্বস্তি’ নিয়েই মাঠে নামবে আইরিশরা, ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এমনটাই।
তালেবানরা ক্ষমতায় ফেরার পর আফগানিস্তানে নিষিদ্ধ হয় নারী ক্রিকেট। নারী ক্রিকেট বন্ধ করে দেওয়ায় নৈতিক অবস্থান থেকে আফগানিস্তানের সঙ্গে ঘরের মাঠে সিরিজ বাতিল করে দেয় অস্ট্রেলিয়া। আফগানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলে না ইংল্যান্ডও।
আয়ারল্যান্ড ক্রিকেটের এক বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী অগাস্টে ঘরের মাঠে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে তারা। এই সিদ্ধান্ত অনেক আলোচনা হবে জেনেই নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী সারাহ কিন।
কিন বলেন, ‘ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড এই বছর বেলফাস্টে আফগানিস্তানের সাথে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা বলে এড়িয়ে যেতে চাই না যে, এর পেছনে আর্থিক বা আইনি কারণ আছে। আসলে তা নেই। ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড সিদ্ধান্তটি নিয়েছে এবং বোর্ডের বিশ্বাস, পুরো সংস্থার সর্বোত্তম স্বার্থেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। শুরুতেই স্বীকার করে নিতে চাই যে, এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে আমরা সবাই এক ধরনের নৈতিক অস্বস্তিতে আছি এবং বিশেষ করে নারীদের প্রতি তাদের শাসকগোষ্ঠীর আচরণের প্রতি আমাদের তীব্র ধিক্কার রয়েছে, কিন্তু আমরা এটিকে আফগান নারী দল, সেই স্থানচ্যুত দলটিকে স্মরণ করার একটি সুযোগ হিসেবেও দেখছি।’
ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী কিন জানালেন, আফগান নারী দলের সঙ্গেও তারা সিরিজ খেলতে চান তারা, ‘আমরা শুধু আফগান পুরুষ দলকেই আমন্ত্রণ জানাইনি, আফগান নারী দলকেও এখানে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি এবং কীভাবে তা সম্ভব হতে পারে, সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বছর সময় বের করা কঠিন হবে, কিন্তু এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, এটা যেন আলোচ্যসূচি থেকে বাদ না পড়ে, না খেলার সিদ্ধান্ত নিলে এবং এ বিষয়ে কথা না বলার সিদ্ধান্ত নিলে সেটি আলোচ্যসূচিতে থাকবে না।’