Friday 20 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

গাইবান্ধায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ২ গ্রামে ঈদ উদযাপন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২০ মার্চ ২০২৬ ১২:১৪ | আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ১২:২০

গাইবান্ধা: সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার দুই গ্রামে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করেছে কয়েকটি গ্রামের কিছু মুসল্লি। দেশের প্রচলিত নিয়মানুসারে এলাকায় একদিন আগেই ঈদ পালন করায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলার সহিহ হাদিস সম্প্রদায়ের মুসল্লিরা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়ার ছাদে নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজে ইমামতি ও খুৎবা পাঠ করেন আমিনুল ইসলাম।

এর আগে সকাল থেকেই জেলার সদর উপজেলার, পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হেঁটে, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল নিয়ে তালুক ঘোড়াবান্ধা মধ্যপাড়ায় জড়ো হতে থাকেন। পরে তারা স্থানীয় একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানের ছাদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।

বিজ্ঞাপন

ঈদের জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিশুসহ ৩০-৪০ জন মুসল্লি ঈদের নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা যথা নিয়মে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন।

নামাজে আসা তালুকঘোড়াবান্ধা গ্রামের সাহারুল ইসলাম (৩৩) একই গ্রামের সোলায়মান (৪৮) বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়তেই আজ সকালে এখানে আসছি। সবাই মিলে ঈদুল ফিতর আদায় করলাম। এভাবেই ১০ বছর ধরে ঈদ করে আসছি।

একই গ্রামের মোস্তফা বলেন, আমাদের গ্রামের ৮-১০ টি পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছি।

গাইবান্ধা উপজেলার সদর উপজেলার হাসপাতাল বালুয়া এলাকার সেলিম (৪৫) বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আমার গ্রামে আমি ও আমার পরিবার মিলে সৌদির সাথে মিল রেখে নামাজ আদায় করি।

একই উপজেলার বড় দুর্গাপুর গ্রামের আব্বাস আলী (২২) বলেন, আমি ও আমার বাবাসহ এখানে সালাত আদায় করলাম। আমাদের পরিবারের সবাই আজ ঈদ উদযাপন করছি। প্রায় ৭ বছর থেকে এই নামাজ আদায় করে আসছি।

এদিকে, একদিন আগে ঈদ পালনে অপ্রীতিকর যে কোনো ঘটনা প্রতিরোধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর