Friday 13 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
ইরানের পরিবর্তে বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে কোন দেশ?

স্পোর্টস ডেস্ক
১৩ মার্চ ২০২৬ ১০:৩৪

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত। এর প্রভাব বেশ ভালোই পড়েছে ইরানের ক্রীড়াঙ্গনে। আসন্ন বিশ্বকাপের আগে গুঞ্জন উঠেছে, টুর্নামেন্টে শেষ পর্যন্ত খেলতে যাবে না ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানকে বিশ্বকাপ বয়কটের পরামর্শ দিয়েছেন। এতে প্রশ্ন উঠেছে, ইরানের পরিবর্তে কোন দল সুযোগ পাবে বিশ্বকাপের মূল পর্বে?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নতুন করে শুরু হয়েছে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত, যোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ থামার কোনো আভাস এখনও মেলেনি। মূলত এই সংঘাত শুরুর পর থেকেই আগামী জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠেয় ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় জাগতে শুরু করে।

বিজ্ঞাপন

অবশ্য ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আশায় আছেন, শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলবে ইরান। তবে দিনশেষে যদি ইতিবাচক কিছু না ঘটে, ইরান সত্যিই যদি সরে দাঁড়ায় বিশ্বকাপ থেকে, তাহলে কী হবে?

ফিফার সাবেক ফুটবল রেগুলেটরির পরিচালক জেমস কিচিংও রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘ফুটবলের আধুনিক যুগে এমন ঘটনার নজির নেই। ফিফার টুর্নামেন্ট আইন অনুযায়ী, কোনো দল টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ালে তাদের জায়গায় ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আছে সংস্থাটির।এর অর্থ হলো, উদাহরণস্বরূপ কোনো দল সরে দাঁড়ালে তাদের জায়গায় একই কনফেডারেশন থেকেই আরেক দল আনতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আবার এমনও নয় যে, তৈরি হওয়া শূন্যতা পূরণ করতেই হবে।’

কিচিংয়ের মতে, কোনো দল বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিলে ওই দেশের ফুটবল সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে ফিফা। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান বিশ্বকাপ না খেললেও, ফিফা তাদেরকে কোনো শাস্তি দেবে না বলেই মনে করেন সাবেক এই ফুটবল কর্মকর্তা।

যদি সত্যিই না খেলে ৪৮ দলের বিশ্বকাপে, তাহলে সেই শূন্যতা পূরণে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল এই মহাদেশ থেকেই নতুন আরেকটি দলকে আনা উচিত বলে ধারণা অনেকের। ফিফার আইনে এ বিষয়ে বাধ্যবাধকতা না থাকলেও, এটাই যৌক্তিক মনে করেন অনেকে।

সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছে দুটি নাম-ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই মাসের শেষ সপ্তাহে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফে খেলবে ইরাক। আর গত বছর নভেম্বরে এশিয়া অঞ্চলের বাছাইয়ে এলিমিনেটর রাউন্ডে ইরাকের বিপক্ষে হেরেই আশা শেষ হয়ে যায় আরব আমিরাতের।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর