Wednesday 04 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ভুয়া বিলে ১৪ কোটি টাকা লুট, ফারইস্ট লাইফের সাবেক ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৪ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫৯

– ছবি : সারাবাংলা

ঢাকা: ভুয়া কার্যাদেশ ও বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় ১৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৪ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করেন কমিশনের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সজীব আহমেদ। পরে বিকেলে দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- মো. নজরুল ইসলাম: সাবেক পরিচালক ও চেয়ারম্যান, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ, মো. হেমায়েত উল্যাহ: সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও, সৈয়দ আব্দুল আজিজ: সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সেক্রেটারি, আমীর মোহাম্মদ ইব্রাহীম: প্রধান প্রকৌশলী ও চেয়ারম্যান, বিনিয়োগ ও রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট কমিটি, শেখ আব্দুর রাজ্জাক: সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, মো. কামাল হোসেন হাওলাদার: সাবেক প্রধান, ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাগ।

বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে কোনো বাস্তব কাজ না করেই সিভিল ইলেকট্রো-মেকানিক কাজের নামে জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তারা ভুয়া কার্যাদেশ, অগ্রিম বিল ও জাল ভাউচার তৈরি করে মোট ১৩ কোটি ৭১ লাখ ৫১ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মোট ১৬টি চেক ইস্যু করা হয়। চেকের একটি অংশ নগদে উত্তোলন করা হয়। অবশিষ্ট অংশ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে আগে নেওয়া জালিয়াতির ঋণ সমন্বয়ে ব্যবহার করা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা ছাড়াও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দুর্নীতির সত্যতা পাওয়ায় মামলাটি করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে এখন আসামিদের ব্যক্তিগত সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা হবে।

এদিকে, পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। সংস্থাটির দাবি, এই দম্পতি প্রায় তিনশো কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। সেসঙ্গে, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে নথিপত্র যাচাই শুরু করেছে দুদক। অনিয়ম ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমে ইতোমধ্যে বেশ কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর