Wednesday 10 Jun 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সব খাতে সম্পৃক্ততা গভীরের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-ইইউ’র

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
১০ জুন ২০২৬ ১৯:৫৭

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইইউর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রত্যাবর্তন ও ভিসাবিষয়ক ভিজিটিং ডিরেক্টর হেনরিক নিলসেন। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: বহুমুখী অংশীদারিত্ব, মানব পাচার রোধ, উন্নয়ন যাত্রাসহ সব খাতে সম্পৃক্ততা গভীরের নতুন অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

বুধবার (১০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে ইইউর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রত্যাবর্তন ও ভিসাবিষয়ক ভিজিটিং ডিরেক্টর হেনরিক নিলসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে তার বহুমুখী অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার ব্যাপারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় ইইউ’র অব্যাহত সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইইউ’র মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনার কথা স্মরণ করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে অভিবাসন ও গতিশীলতা বিশেষভাবে স্থান পায়। প্রতিমন্ত্রী মানব পাচার ও ধরনের সব অনিয়মিত অভিবাসনের প্রতি শূন্য-সহনশীলতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং পাঠ করেন, সুশৃঙ্খল ও পাচার অভিবাসন প্রসারে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন। তিনি ইইই ট্যালেন্ট পার্টনারপ চেয়ারম্যানের সভাপতি এবং ইউকে সদস্য রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশি দক্ষতা পুলিশ ও পুলিশ অভিজীবীদের জন্য নতুন নেতার পথ তৈরি ও সম্প্রসারণ করার আহ্বান জানান।

উভয়পক্ষ ইইউ’র আসন্ন আশ্রয় ও প্রত্যাবর্তন সীমান্ত পদ্ধতি নিয়েও মতবিনিময় করেছে এবং অভিবাসন ও প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, নিয়মিত সংলাপ ও যথাযথ প্রক্রিয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। উভয় পক্ষই অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি ও পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির চলমান প্রচেষ্টার ওপর আলোকপাত করেছে।

আলোচনায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ, শিক্ষা, ক্রীড়া, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতাসহ আরও বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়কে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অব্যাহত সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক মনোযোগ বজায় রাখার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ককে আরও গভীর করতে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে উভয় পক্ষের বৈঠকটি শেষ হয়।

সারাবাংলা/একে/পিটিএম