ঢাকা: পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি একদিন বাড়িয়েছে সরকার। পবিত্র শবে কদর ও ঈদুল ফিতর মিলে টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। রোববার (৮ মার্চ) জনপ্রশান মন্ত্রণালয় থেকে ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
তবে এই ছুটির আওতায় সব ধরনের সেবা ও প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকবে না বলে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঘোষিত ছুটির সময়ে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা চালু রাখতে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা এবং ডাক বিভাগের কর্মীরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব বিবেচনায় হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য এই ছুটি কার্যকর হবে না। একইসঙ্গে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরাও দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও তাদের কার্যক্রম চালু রাখবে।
প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক ও আদালতের কার্যক্রম নিয়েও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক খোলা রাখা বা কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। অন্যদিকে আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত জানাবে সুপ্রিম কোর্ট।
বেসরকারি খাতের শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। সাধারণত দেশে সরকারি ছুটির বিষয়টি সরকারি চাকরি আইন এবং নির্ধারিত ছুটি বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হলেও নির্বাহী আদেশে ঘোষিত এই বিশেষ ছুটি মূলত সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য সরাসরি প্রযোজ্য হয়।
এদিকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের দাবির প্রেক্ষিতে দেশের গণমাধ্যমগুলোর জন্য ৫ দিন ছুটি ঘোষণা করেছে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব।