ঢাকা: রাজধানীর কড়াইল বস্তি সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখান থেকেই তিনি দেশের আরও ১৪টি স্থানে একযোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, বৈষম্যহীন ও মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই ধারণাকে সামনে রেখে কর্মসূচিটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
বর্তমানে দেশে ২৩টি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫টির বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু থাকলেও সমন্বয়হীনতা ও প্রকৃত দরিদ্রদের বাদ পড়ার মতো সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলে এসব সমস্যা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি)’ পদ্ধতিতে। পাইলট পর্যায়ে অতি দরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলো এ কর্মসূচির আওতায় আসবে।
নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে কার্ডটি পরিবারের মা বা নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা হবে। পাইলট পর্যায়ে প্রতিটি পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে, যা সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
পাইলট প্রকল্পের জন্য দেশের ১৩টি ভিন্নধর্মী এলাকা নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার বনানী এলাকার কড়াইল বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাশন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে দেশের সব নাগরিকের জন্য একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’-এ রূপান্তর করা হবে।