Sunday 21 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

দেহরক্ষীর সাক্ষ্য / পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর ১০ বিডিআর সদস্যকে হত্যা করেন জিয়াউল

স্টাফ করেসপন্ডেট
২১ জুন ২০২৬ ১৬:০৯ | আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ১৭:১০

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান।

ঢাকা: দেশজুড়ে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর অপারেশন রেবেল হান্টে প্রায় ১০ বিডিআর সদস্যকে হত্যার সঙ্গে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান জড়িত ছিলেন বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষী দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস রোববার (২১ জুন) দেয়া সাক্ষ্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সাক্ষ্যে ইমরুল কায়েস আরও বরেন, ২০১২ সালে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় জিয়াউল আহসান জড়িত ছিলেন। এ বিষয়ে জিয়াউল আহসান ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকীর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছিল বলে তিনি জানতে পেরেছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সাক্ষ্যে তিনি অভিযোগ করেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর পরিচালিত ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’ এর সময় প্রায় ১০ জন বিডিআর সদস্যকে ইনজেকশন প্রয়োগ এবং পরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে গুলি করে হত্যা করা হয়।

তবে এসব অভিযোগ আদালতে সাক্ষীর বক্তব্যের অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে এবং বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ইমরুল কায়েস তার সাক্ষ্যে বিভিন্ন সময় সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে সেসব ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনাল-১ জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন। মামলার অভিযোগপত্রে ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরের পুবাইলে তিনজনকে হত্যা, ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনায় ৫০ জন এবং একই সময়ে আরও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর