Saturday 07 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেমের দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি দুদক

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৬ মার্চ ২০২৬ ২৩:৪২ | আপডেট: ৭ মার্চ ২০২৬ ০০:২৮

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেন

ঢাকা: দীর্ঘ ১১ মাসের অনুসন্ধান শেষে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে আনা ৩১১ কোটি টাকার তদবির বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শুক্রবার (৬ মার্চ) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান মোয়াজ্জেম হোসেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, দীর্ঘ ১১ মাসের অনুসন্ধানের পর দুদক প্রতিবেদন প্রদান করেছে, আমাকে সকল অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে। ‘দুর্নীতি ও তদবির-বাণিজ্যের’ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিন্দুমাত্র প্রমাণ না পেয়ে দুদক স্বসম্মানে আমাকে নিষ্পত্তিপত্র বুঝিয়ে দিয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সরকারে দায়িত্ব গ্রহণের পর উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) হিসেবে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রথমে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে এবং পরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

তবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন তদবির ও ব্যক্তিগত সুবিধা দেওয়ার জন্য চাপ তৈরি হয় বলে দাবি করেন তিনি। অনৈতিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হয় এবং এক পর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ৩১১ কোটি টাকার তদবির-বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে পোস্ট করা হয় বলে উল্লেখ করেন মোয়াজ্জেম। পরবর্তীতে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে একই অভিযোগ প্রকাশিত হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, দুদকের অনুসন্ধান চলাকালে তিনি সংস্থাটিকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন। তবে এ সময় তাকে এবং তার পরিবারকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যম তার গ্রামের অন্য একজনের নির্মাণাধীন বাড়িকে তার নামে প্রচার করে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

স্ট্যাটাসে মোয়াজ্জেম হোসেন লিখেছেন, ‘শক্তিশালীদের সঙ্গে সমঝোতা, ন্যাগোসিয়েশন করে না চলার, অবৈধ সুবিধা দিতে না পারার ভিক্টিম হলাম আমি। আপনাদেরকে বিশেষ সুবিধা দিতে পারিনি, তাই বলে এতো বিদ্বেষ, এতো প্রোপাগান্ডা! এতই ক্ষোভ থাকলে গু/লি করে মে/রে ফেলতে পারেন, কিন্তু সামাজিকভাবে আর হেয় করবেন না দয়া করে। আমাকে এবং আমার পরিবারকে স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে দেন।’

ফেসবুক পোস্টের শেষে তিনি দুদকের অনুসন্ধান ও নিষ্পত্তি-সংক্রান্ত নথি সংযুক্ত করেন এবং সবার কাছে দোয়া চান।

সারাবাংলা/এনএল/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর