Thursday 05 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

টয়োটা বাংলাদেশের এমডিসহ ৩ কর্মকর্তা আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৫ মার্চ ২০২৬ ১৭:৩১

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণের পর টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিন কর্মকর্তা জামিন পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেককে এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন এবং মামলাটি বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন- টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালয়েশিয়ার নাগরিক প্রেমিত সিং, টয়োটা টুশো এশিয়া প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাপানি নাগরিক আকিও ওগাওয়া এবং টয়োটা টুশো করপোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আসিফ রহমান।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি একই আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নাভানা লিমিটেডের ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করতে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ৯ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে শফিউল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। সেদিন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগ তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন আদালত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা টুশো করপোরেশনের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে নাভানা লিমিটেড টয়োটা ব্র্যান্ডের একক ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজ করে আসছে। তবে অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে নাভানার বিরুদ্ধে বাজার পরিস্থিতি ও কর্মদক্ষতা নিয়ে মিথ্যা ও পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যাতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক সক্ষমতা ও সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় গত ৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর সৈয়দ সাজেদুর রহমান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্তরা গ্রাহকদের অর্ডার করা যানবাহনের উৎপাদন ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেন। পাশাপাশি কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ম্যানুফ্যাকচারার ইনভয়েস’ সরবরাহ না করায় নাভানা লিমিটেডের স্বাভাবিক আমদানি ও সরবরাহ কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে এবং সুনাম নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কাস্টমস সংক্রান্ত জটিলতা ও জরিমানার ঝুঁকিতেও পড়ে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর