ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের সর্বশেষ ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোতে ইসরায়েলের আরাদ, ডিমোনা, ইলাত, বিরশেবা ও কিরিয়াত গাত শহরের সামরিক স্থাপনা এবং নিরাপত্তাকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (২১ মার্চ) এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আইআরজিসি কুয়েতের আলী আল-সালেম ঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-মিনহাদ ও আল-ধাফরা ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।
তাদের দাবি, এসব হামলায় ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
তবে ইসরায়েল কোনো নিহতের খবর নিশ্চিত করেনি। দেশটির অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা জানিয়েছে, আরাদ শহরে ৮৮ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ডিমোনা থেকে আহত ৩৯ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলে দক্ষিণাঞ্চলের ছোট শহর আরাদে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়।
ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনা থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দক্ষিণ ইসরায়েলি শহর ডিমোনাতেও হামলা হয়েছে। এখানেও অনেকে আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামলার পর তিনি আরাদ শহরের মেয়রের সঙ্গে কথা বলেছেন।
নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে শহরটির জন্য ‘অত্যন্ত কঠিন এক সন্ধ্যা’ বলে বর্ণনা করেছেন।
নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, তিনি এই সময়ে মাঠে কাজ করা জরুরি ও উদ্ধারকারী বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করবেন। একই সঙ্গে তিনি দেশজুড়ে মানুষকে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘সব ফ্রন্টে আমাদের শত্রুদের ওপর হামলা চালিয়ে যেতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’