ঢাকা: ন্যাশনাল ডেমো ডে ২০২৬- এ অংশগ্রহণকারী স্টার্টআপগুলো তাদের পণ্য, সেবা, ব্যবসায়িক মডেল এবং প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা তুলে ধরার সুযোগ পায়। সেক্টরভিত্তিক পিচিং সেশনে প্রায় ১৫০টির বেশি স্টার্টআপ বিনিয়োগকারী, ব্যাংক, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান এবং কর্পোরেট সংস্থার সামনে তাদের ব্যবসায়িক ধারণা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা উপস্থাপন করে।
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অধীনে আইসিটি বিভাগের বাস্তবায়িত ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন (ডিইআইইডি) প্রকল্পের স্টার্টআপ অ্যান্ড স্কেলআপ প্রোগ্রাম (এসএসপি)-এর আওতায় আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী (৭-৯ এপ্রিল) ‘ন্যাশনাল ডেমো ডে ২০২৬’ সফলভাবে শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ডেমো ডে ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন। বিশেষ অতিথী ছিলেন স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল হাই। সভাপতিত্ব করেন ডিইআইইডি প্রকল্পের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।
১,০৯১টি স্টার্টআপের অংশগ্রহণের মধ্যে ৩০২টি স্কেলআপে উন্নীত হওয়া এবং ১৩৪টি স্টার্টআপের কেপিআই অর্জনের মাধ্যমে আয়োজনটির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রতিফলিত হয়েছে। রাজস্ব, কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগ সক্ষমতায়ও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে, যা দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের ক্রমবর্ধমান শক্তির ইঙ্গিত দেয়। প্রোডাক্ট এক্সপো এবং নেটওয়ার্কিং সেশনের মাধ্যমে উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপিত হয়, যা ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ, অংশীদারিত্ব এবং বাজার সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, স্টার্টআপ অ্যান্ড স্কেলআপ প্রোগ্রামের আওতায় প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ এবং বিনিয়োগ সংযোগের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই উদ্যোগটি দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও গতিশীল ও টেকসই করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতকে একটি শক্তিশালী ও বিনিয়োগযোগ্য খাতে পরিণত করে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।