চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বিশেষ অভিযানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি ও ইয়াবাসহ দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ ওয়াহিদুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতার দু’জন হলেন- মোহাম্মদ ইসতিয়াক হাসান ইমন (২৬) ও মো. জসিমকে (৩৫) ।
এর আগে সোমবার রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন অক্সিজেন চালিতাতলি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে সিএমপি।
জানা যায়, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে দু’টি বিদেশি পিস্তল, একটি এসএমজি, একটি দেশীয় পাইপগান, পিস্তলের তিনটি ম্যাগাজিন, এসএমজির একটি ম্যাগাজিন, পিস্তলের তাজা গুলি ৪৫৫টি, শর্টগানের তাজা কার্তুজ ১৪টি এবং একটি খালি কার্তুজ রয়েছে।
এ ছাড়াও অস্ত্র পরিষ্কার করার সামগ্রী, একটি চাপাতি, একটি রাম দা, তিনটি ছোরা ও একটি কাঁচি, ৮৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, তিনটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেটসহ একটি পাওয়ার ব্যাংক, দু’টি বর্ডি ওর্ন ক্যামেরা ও একটি ব্যাটারি চার্জার, একটি অস্ত্রের কিট বক্স ও দু’টি স্প্রে কিট, একটি বেইজ বল খেলার লোহার বেড, একটি ড্রিল মেশিন, দু’টি পলিথিন সিল মেশিন, একটি টুলবক্স, একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
সিএমপি জানায়, চালিতাতলি বাজারের পার্শ্বে আমিন উল্লাহ হাজি বাড়ির ইদ্রিসের মালিকানাধীন ইকবাল প্রকাশ কেইস ইকবালের ভাড়া ঘরে সিএমপির বিশেষ টিম এবং বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ ওয়াহিদুল আলম বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ অভিযান ‘এস ড্রাইভ’ অভিযানের অংশ। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘরে থাকা সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করলে আত্মরক্ষায় পুলিশ পালটা গুলি চালায়। এ সময় ধাওয়া দিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এদের মধ্যে একজন আহত। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’