চট্টগ্রাম: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী আটটি জাহাজ।
রোববার (৮ মার্চ) সকালে কুতুবদিয়া ও মহেশখালী জলসীমায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বোঝাই মোট আটটি জাহাজ এসে বন্দরে নোঙর করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার আগেই জাহাজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ জলপথ অতিক্রম করতে সক্ষম হয়। ফলে এগুলো নিরাপদে বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছেছে।
আগত জাহাজগুলোর মধ্যে কাতার থেকে পাঁচটি এলএনজিবাহী বড় কার্গো রয়েছে। ফ্রান্সের পতাকাবাহী ‘আল জুর’ ৬৩ হাজার ৩৮৩ ইউনিট, গ্রিসের ‘আল জাসাসিয়া’ ৬৩ হাজার ৭৫ ইউনিট এবং বাহামার পতাকাবাহী ‘লুসাইল’ ৬২ হাজার ৯৮৭ ইউনিট এলএনজি নিয়ে এসেছে। এছাড়া লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘আল গালায়েল’ ও ‘লেব্রেথাহ’ যথাক্রমে ৫৭ হাজার ৬৬৫ এবং ৬২ হাজার ইউনিট এলএনজি বহন করে বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থান করছে।
এদিকে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে ওমানের সোহার বন্দর থেকে পানামার পতাকাবাহী দু’টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। ‘এলপিজি সেভান’ ২২ হাজার ১৭২ ইউনিট এবং ‘জি ওয়াইএমএম’ ১৯ হাজার ৩১৬ ইউনিট এলপিজি নিয়ে এসেছে। জাহাজ দু’টি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ইউনিক মেরিটাইম।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ৫ হাজার ১৯ ইউনিট এমইজি নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘বে ইয়াসু’ নামের আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় গত শুক্রবার জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।