Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

৭৩১ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা বৃত্তি দিল ডিএনসিসি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১১ মে ২০২৬ ১৫:৩৯

ঢাকা: ৭৩১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯২ লাখ ৪ হাজার ৬০০ টাকার শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে গুলশানে নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে এই শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষার প্রসারে এই বৃত্তি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। নিম্ন আয়ের পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবন এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য হওয়া উচিত বিভিন্ন পেশায় দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলা।

বিজ্ঞাপন

ডিএনসিসির প্রশাসক বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও দায়িত্ব রয়েছে সন্তানদের সঠিকভাবে যত্ন নেওয়া এবং তাদের মেধাবিকাশের সুযোগ করে দেওয়া।

তিনি বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাসাবাড়ি, আঙিনা, ফুলের টব, বালতি ও বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে, যাতে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। তিনি নাগরিকদের নিজ নিজ জায়গা থেকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি “শনিবারের অঙ্গীকার, নিজ নিজ বাসা ঘর করি পরিষ্কার”— এই স্লোগান বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ২০১৭ সালের নীতিমালার ভিত্তিতে শিক্ষা বৃত্তি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। গত বছর ৬৯ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হলেও এ বছর তা বৃদ্ধি করে ৭৩১ জনে উন্নীত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করাই এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ সময় প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান বলেন, শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র মেধার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে না, বরং পরিবার ও অভিভাবকদের সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমেই তাদের বিকাশ সম্পন্ন হয়। অভিভাবকদের দায়িত্ব হলো সন্তানদের সঠিকভাবে যত্ন নেওয়া, যাতে তারা ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

সারাবাংলা/এমএইচ/ইআ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর