Monday 13 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
রসিকের সাবেক মেয়রসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৫২ | আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪০

রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তর্ফা। ছবি: সংগৃহীত

রংপুর: রংপুর মেঘনা ব্যাংক শাখা থেকে ৪ কোটি ২৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ তিন ঠিকাদার ও চার ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রংপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় আসামিরা হলেন— রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাকিব ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুর রাকিব, মুক্তি প্রকৌশল সংস্থার মালিক এটিএম ফুয়াদ হোসেন, রফিকুল ইসলাম দুলাল, মেঘনা ব্যাংক রংপুর শাখার সাবেক ম্যানেজার মাহফুজুল ইসলাম, সহকারী ম্যানেজার একেএম শফিকুল মমতাজ, সিনিয়র অফিসার আতিকুর রহমান, এভিপি মঞ্জুর হোসেন পাটোয়ারী।

বিজ্ঞাপন

মামলার বাদী রংপুর সমন্বিত জেলা দুদক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শাওন মিয়া জানান, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলকভাবে অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে ৪ কোটি ২৬ লাখ ৭৫ হাজার ৫০৩ টাকা ৩৩ পয়সা আত্মসাৎ করেছেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা মেঘনা ব্যাংকের রংপুর শাখার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। সাবেক মেয়র মোস্তফার সময়ে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজসে ব্যাংক কর্মকর্তারা জালিয়াতির মাধ্যমে এই অর্থ লুট করেন। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মালামাল কেনাকাটা ও টেন্ডার ছাড়া কাজ করানোর অভিযোগে দুদক সাবেক মেয়র মোস্তফাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে। এ ছাড়া, সড়ক বাতি স্থাপন, কর আদায়, লাইসেন্স প্রদানসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। এই নতুন মামলা তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের ধারাবাহিকতা।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, মামলার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এ বিষয়ে জানতে রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর