ফেব্রুয়ারির শেষ ভাগ। শীতের আমেজ ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে, বসন্ত দরজায় কড়া নাড়ছে। ঠিক এই সময়েই ২৭ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় স্ট্রবেরি প্রেমীদের প্রিয় দিন লাল, রসালো আর টক-মিষ্টি এই ফলকে ঘিরে আনন্দের এক ছোট্ট উৎসব।
যদিও এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়েছিল, এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষও দিনটিকে আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করে।
লাল ফলের মিষ্টি গল্প
স্ট্রবেরি দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এতে আছে প্রচুর ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আঁশ। হৃদ্যন্ত্রের সুরক্ষা থেকে শুরু করে ত্বকের উজ্জ্বলতা, নানা উপকারে এই ফল পরিচিত।
মজার বিষয় হলো, আমরা যাকে একটি ফল মনে করি, তা আসলে বহু ক্ষুদ্র বীজের সমষ্টি। প্রতিটি ছোট দানার মতো অংশই আলাদা বীজ। প্রকৃতির কী অদ্ভুত কারুকাজ!
কেন স্ট্রবেরির জন্য আলাদা দিন?
স্ট্রবেরি শুধু সুস্বাদু ফল নয়, এটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ভিটামিন সি, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এই ফল হৃদ্স্বাস্থ্য ও রোগপ্রতিরোধে সহায়ক। শীতের শেষে বাজারে যখন এর প্রাচুর্য থাকে, তখন কৃষক থেকে ভোক্তা,সবাই লাভবান হন।
এই জনপ্রিয়তা ও মৌসুমি প্রাচুর্যকে উদযাপন করতেই ২৭ ফেব্রুয়ারি স্ট্রবেরির জন্য নির্ধারিত হয়েছে বিশেষ একটি দিন। একে কেন্দ্র করে ফলটির পুষ্টিগুণ, কৃষি সম্ভাবনা ও রন্ধন বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়।
কেন স্ট্রবেরির জন্য আলাদা দিন?
স্ট্রবেরি শুধু সুস্বাদু ফল নয়, এটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ভিটামিন সি, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এই ফল হৃদ্স্বাস্থ্য ও রোগপ্রতিরোধে সহায়ক। শীতের শেষে বাজারে যখন এর প্রাচুর্য থাকে, তখন কৃষক থেকে ভোক্তা সবাই লাভবান হন।
এই জনপ্রিয়তা ও মৌসুমি প্রাচুর্যকে উদযাপন করতেই ২৭ ফেব্রুয়ারি স্ট্রবেরির জন্য নির্ধারিত হয়েছে বিশেষ একটি দিন। একে কেন্দ্র করে ফলটির পুষ্টিগুণ, কৃষি সম্ভাবনা ও রন্ধন বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়।
কবে থেকে পালিত হচ্ছে?
এই দিবসটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে অনানুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। নির্দিষ্ট কোনো সরকারি ঘোষণা নয়; বরং খাদ্যসংস্কৃতি ও জনপ্রিয় দিবসপঞ্জির উদ্যোগে এটি পরিচিতি পায়। দুই হাজার দশকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে দিনটি আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন দেশেও মানুষ মজার ছলে উদযাপন শুরু করে।
উৎসবের আয়োজনে কী থাকে?
এই দিনে অনেকেই বাড়িতে স্ট্রবেরি দিয়ে নানা পদ তৈরি করেন। কেক, পুডিং, শরবত, দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে কিংবা শুধু ধুয়ে সামান্য চিনি ছিটিয়ে।যেভাবেই খাওয়া হোক, আনন্দটাই আসল।
কেউ কেউ বন্ধুদের নিয়ে ছোট আড্ডা দেন, আবার কেউ সামাজিক মাধ্যমে লাল ফলের ছবি শেয়ার করে উদযাপন করেন দিনটি। শিশুদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণীয়, কারণ উজ্জ্বল লাল রং আর মিষ্টি স্বাদ তাদের খুব টানে।
কৃষি ও অর্থনীতিতে গুরুত্ব
শুধু স্বাদ নয়, স্ট্রবেরি এখন অনেক দেশের কৃষির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশেও পাহাড়ি ও শীতপ্রধান অঞ্চলে চাষ হচ্ছে এই ফলের। স্বল্প সময়ে ফলন, বাজারে ভালো দাম।সব মিলিয়ে কৃষকদের কাছে এটি সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।
ভালোবাসার প্রতীক
লাল রং বরাবরই ভালোবাসার প্রতীক। তাই স্ট্রবেরিকেও অনেকে ভালোবাসা ও কোমল অনুভূতির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন। প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে স্ট্রবেরি বা স্ট্রবেরি দিয়ে তৈরি মিষ্টান্ন দেওয়ার চলও আছে অনেক জায়গায়।
ছোট্ট এক উপলক্ষ, বড় এক আনন্দ
বিশ্বজুড়ে অসংখ্য গুরুগম্ভীর দিবসের ভিড়ে এমন কিছু দিনও প্রয়োজন, যা শুধু হাসি, স্বাদ আর ছোট ছোট আনন্দের কথা মনে করিয়ে দেয়। ২৭ ফেব্রুয়ারির এই লাল ফলের দিনটিও তেমনই সাদামাটা অথচ মিষ্টি এক উদযাপন।
আজ যদি সুযোগ থাকে, একমুঠো স্ট্রবেরি হাতে নিন। টক-মিষ্টি স্বাদে বুঝে নিন, জীবনের আনন্দ অনেক সময় খুব ছোট, কিন্তু খুবই রঙিন।