ঢাকা: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। উভয় বাজারেই আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কিছুটা কমেছে। একইসঙ্গে উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বেড়েছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে সূচকের কিছুটা উত্থানের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শুরু হলে পরে তা পতনমুখী অবস্থানে ফিরে আসে। লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সূচকের পতনমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৪১.০৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৩০.৩৬ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩.০৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৭.৯৯ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ২১.৩০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৮১.০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসই-তে মোট ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১২৩টি কোম্পানির, কমেছে ২১৩টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৫৪টির।
এদিন ডিএসই-তে মোট ৭৯৩ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৮৩৭ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩.৩৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯ হাজার ২৫.৫৬ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪১.৪৮ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭৩৩.৩০ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ১.০৪ পয়েন্ট বেড়ে ৮৯৭ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৪৪.১৯ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৯৬১.০৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সিএসই-তে মোট ১৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৮৪টি কোম্পানির, কমেছে ৮৯টির এবং অপরিবর্তিত আছে ১৯টির।
দিন শেষে সিএসই-তে ৪০ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৫৪ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট।