ঢাকা: আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় জমির নিবন্ধন কর কমানোর দাবি জানিয়েছে আবাসন খাতের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
সংগঠনটির মতে, নিবন্ধন ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনলে সরকার উল্টো বেশি রাজস্ব আদায় করতে পারবে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
সভায় আবাসন ও নির্মাণ খাতসহ বিভিন্ন শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা তাদের বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরেন।
রিহ্যাবের পক্ষ থেকে সংগঠনের সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, বর্তমানে ভবন নির্মাণ ও জমি উন্নয়ন—উভয় ক্ষেত্রেই মূসক দিতে হয়, যা খাতটির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি তারা গেইন কর, স্ট্যাম্প শুল্ক কমানো এবং সব ফ্ল্যাটে ২ শতাংশ মূসক ধার্যের প্রস্তাব দেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, জমির নিবন্ধন খরচ মূলত বিক্রেতার বহন করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা ক্রেতার ওপর চাপানো হচ্ছে, যা একটি অস্বাভাবিক প্রথা।
ল্যান্ড ডেভেলপাররা মাঠপর্যায়ে যাচাই করে মৌজা মূল্য নির্ধারণ এবং উৎসে কর কাঠামো পরিবর্তনের দাবি জানান
বৈঠকে অন্যান্য খাত থেকেও বিভিন্ন দাবি উঠে আসে। বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন টাইলসকে বিলাসবহুল পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেয়, যাতে বর্তমান ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা যায়।
এছাড়া ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, চা, প্লাস্টিক ও জুতাশিল্পসহ বিভিন্ন খাতের সংগঠনও নিজ নিজ বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে।
সব প্রস্তাবই বিবেচনার আশ্বাস দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।