Friday 20 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ইপিআই প্রণয়ন করবে ঢাকা চেম্বার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৫ অক্টোবর ২০২৫ ১৩:৫৩ | আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:১৬

-ছবি : প্রতীকী ও সংগৃহীত

ঢাকা: ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পর্যালোচনায় ‘ইকোনমিক পজিশন ইনডেক্স’ (ইপিআই) প্রণয়ন ও প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর মতিঝিলস্থ ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে এক ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশনে এ তথ্য জানানো হয়। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ এতে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী।

শনিবার রাজধানীর মতিঝিলস্থ ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে সংগঠনের ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হয়

ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন সঠিকভাবে পরিমাপের জন্য বিদ্যমান সূচকগুলো যেমন- ব্যবসায় আস্থা সূচক) ইজ অব ডুয়িং বিজনেস ইনডেক্স কিংবা জিডিপি -এগুলো বাস্তব অর্থনৈতিক গতিধারা পুরোপুরি প্রতিফলিত করতে পারে না। এ সীমাবদ্ধতা দূরীকরণে ডিসিসিআই ইপিআই প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যা দেশের উৎপাদন, বিক্রয়, অর্ডার প্রবাহ, রফতানি, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ প্রবণতা বিষয়ে রিয়েল-টাইম ধারণা দেবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ইপিআই কেবল একটি পরিসংখ্যানভিত্তিক রিপোর্ট নয়, এটি কার্যকর নীতিনির্ধারণে একটি সহায়ক হাতিয়ার হবে। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক খাতের প্রবণতা ও পরিবর্তন দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, এই সূচকের মাধ্যমে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ম্যানুফ্যাকচারিং ও সার্ভিস সেক্টরের কার্যক্রম বিশ্লেষণ করা যাবে। এর আওতায় তৈরিপোশাক, টেক্সটাইল, পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, রিয়েল এস্টেট, পরিবহন, সংরক্ষণ ও ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন খাতের অর্থনৈতিক কার্যক্ষমতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ঢাকাকে কেন্দ্র করে সূচকের জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে এটি সারাদেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে জাতীয় অর্থনীতির পরিবর্তনও নিয়মিতভাবে প্রতিফলিত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল অর্থনীতিতে সময়োপযোগী ও তথ্যসমৃদ্ধ নীতিনির্ধারণ এখন জরুরি। ডিসিসিআই প্রণীত এই সূচকটি ভবিষ্যতে একটি আর্লি ওয়ার্নিং ইকোনমিক অ্যাসেসমেন্ট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যা নীতিনির্ধারকদের কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা দেবে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর