ঢাকা: জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রিকে কেন্দ্র করে শনিবারও (১১ এপ্রিল) ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপচে পড়া ভিড় ছিল। এদিনও পাঁচ শতাধিক ফরম বিক্রি হয়েছে। শুক্রবারও (১০ এপ্রিল) বিক্রি হয়েছিল পাঁচ শতাধিক ফরম। এ নিয়ে দুই দিনে ১ হাজার ২৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার রাতে রুহুল কবির রিজভী জানান, যোগ্যতা, সামাজিক সুনাম, শিক্ষা, নির্যাতনের শিকার ছিলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন–সংগ্রামে যাঁদের প্রচেষ্টা দৃশ্যমান ছিল, মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন ফরম নিতে ২ হাজার টাকা এবং জমা দেওয়ার সময় জামানত হিসেবে অফেরতযোগ্য ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। রোববার (১২ এপ্রিল) পর্যন্ত তিন দিন এই ফরম বিক্রি এবং জমা নেওয়া চলবে।
উল্লেখ্য, ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ছয়জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। সে অনুযায়ী, বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে একটি সংরক্ষিত আসন পাবে বলে জানিয়েছেন ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল।
সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে এসে শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে দলীয় নেত্রীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন রোমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা (কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা)। কনকচাঁপা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে গেলে সেখানে থাকা অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হইচই শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থেকেও হঠাৎ করে মনোনয়নপ্রত্যাশী হওয়া সুবিধাবাদিতার শামিল।