Saturday 21 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:২৫

ঢাকা: যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উদযাপিত হয়েছে ‘মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিত রাখার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন। উপস্থিত সবার অংশগ্রহণে গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।

এরপর রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাস প্রাঙ্গণে স্থাপিত অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা একে একে ফুল দিয়ে ভাষাশহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রদূতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। বাণী পাঠ করা হয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পক্ষ থেকে। বাণীগুলোতে ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য, বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং বিশ্বায়নের যুগে মাতৃভাষার বিকাশে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এছাড়া আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কোর সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতির ভিডিও বার্তাও প্রদর্শন করা হয়। ভিডিও বার্তায় ভাষাগত বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও মাতৃভাষার চর্চা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

আলোচনা সভায় মূল বক্তব্য প্রদানকালে রাষ্ট্রদূত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় বাঙালির সংগ্রাম বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের উদ্দেশে তিনি বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা জোরদার করার আহ্বান জানান। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা ও পরিচয়ের বোধ জাগ্রত করার ক্ষেত্রে পরিবার ও কমিউনিটির ভূমিকার কথা তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বায়ান্নোর ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও দেশের সর্বস্তরের মানুষের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে কুয়েত প্রবাসী বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং দূতাবাসের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

ফ্রেমের ভাষায় গর্ব ও আবেগের একুশ [ছবি]
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:১১

আরো

সম্পর্কিত খবর