ঢাকা: অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান উভয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই রাষ্ট্রপতি বেদীর দিকে এগিয়ে যান। তারপর ১২ টা ৪ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সপরিবারে এসে ১২টা ৭ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অমর একুশের ঐতিহাসিক গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…আমি কি ভুলিতে পারি’ গানের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। রাষ্ট্রপতির পরই প্রধানমন্ত্রী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তারা ভাষাশহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এর আগে তাদের সকলকেই শহিদ মিনারে অভ্যর্থনা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।
এরপর বায়ান্নোর, একাত্তরের শহিদ এবং চব্বিশের শহিদ ও গাজি, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ দেশবাসীর জন্যে দোয়া পড়া হয়।
এরপর শহিদ মিনারে জাতীয় সংসদের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১২টা ১৬ মিনিটে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পক্ষে এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সারাবাংলা
এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।
এরপর বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ ১১ দলীয় দলের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।