স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া সাম্প্রতিক ছবিতে দেখা গেছে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত যুদ্ধজাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) তথ্যমতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতরটি ইরানের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে; এমন আশঙ্কা থেকেই এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত জুনে ইরানের একটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ঘটনার পরও মার্কিন নৌবাহিনী একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ধারণা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখান থেকে ফিরে আসার পথ নেই। যেকোনো সময় ইরানে হামলা হতে পারে এবং এই হামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের খুব অল্প সময় আগে জানানো হবে।
এদিকে ওমানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বৃহস্পতিবার থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার কথা থাকলেও যুদ্ধের হুমকি এখনো কাটেনি। বরং যেকোনো মুহূর্তে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক শক্তি মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবাহী রণতরী, ইসরায়েলে অবতরণ করা অত্যাধুনিক এফ-২২ ফাইটার জেট, ডেস্ট্রয়ার এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের জন্য বিশ্বের অন্যতম উন্নত বিমান ইসি-১৩০এইচ কম্পাস কল।
আঞ্চলিক অভিযানগুলোর সঙ্গে যুক্ত একজন অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা থেকে পিছিয়ে আসার সম্ভাবনা প্রতি ঘণ্টায় কমছে। এখন প্রশ্ন এটা নয় যে হামলা হবে কি না, বরং প্রশ্ন হলো—প্রথম হামলাটি কখন হবে এবং তা কতটা ভয়াবহ হবে।