যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘শান্তি পর্ষদ’ (বোর্ড অব পিস)–এর প্রথম বৈঠকে জানিয়েছেন, গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন তহবিলে ৭০০ কোটি ডলার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে ৯টি সদস্যরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফ্রেবুয়ারি) সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা এ খবর প্রকাশ করেছে।
একই সঙ্গে, সহায়তার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি এ ভূখণ্ডে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স) মোতায়েনে রাজি হয়েছে পাঁচটি দেশ।
ওই বৈঠকে পর্ষদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শান্তি পর্ষদকে ১০ বিলিয়ন (১ হাজার কোটি) ডলার সহায়তা দেবে। তবে এই অর্থ ঠিক কী কাজে ব্যবহার করা হবে, তা তিনি নির্দিষ্ট করে জানাননি।
ট্রাম্প জানান, গাজা পুনর্গঠনের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি তহবিলের ব্যবস্থা করেছে কাজাখস্তান, আজারবাইজান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো, বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব, উজবেকিস্তান ও কুয়েত।
ট্রাম্প বলেন, ‘এখানে ব্যয় করা প্রতিটি ডলারই স্থিতিশীলতা এবং একটি নতুন ও সম্প্রীতিপূর্ণ (অঞ্চলের) আশায় করা বিনিয়োগ।’
তিনি আরও বলেন, ‘শান্তি পর্ষদ আজ এ কক্ষেই দেখিয়ে দিচ্ছে, কীভাবে একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা যায়।’
যদিও প্রতিশ্রুত এ তহবিল তাৎপর্যপূর্ণ হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। কারণ, দুই বছরের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজা পুনর্গঠনে আনুমানিক ৭ হাজার কোটি ডলার প্রয়োজন হবে।
গাজা যুদ্ধ অবসানের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রথম এ পর্ষদ গঠনের প্রস্তাব দেন। তবে অক্টোবরের ‘যুদ্ধবিরতির’ পর পর্ষদের ব্যাপারে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে। তিনি এখন চান, বিশ্বব্যাপী অন্যান্য সংঘাত মোকাবিলায় পর্ষদটি আরও বড় পরিসরে কাজ করুক।
তবে ফিলিস্তিনিদের বাদ দিয়ে ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করায় পর্ষদটি সমালোচনার মুখে পড়েছে।