Friday 20 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি, অপেক্ষা ট্রাম্পের নির্দেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩৬ | আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩৭

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ইরানের বিরুদ্ধে টানা কয়েক সপ্তাহব্যাপী সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

এমন এক সময়ে এই সামরিক প্রস্তুতির খবর সামনে এল যখন দুই দেশের মধ্যে জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সতর্ক করে বলেছেন, ট্রাম্প একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চাইলেও সেটি করা খুবই কঠিন।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, তারা ওই অঞ্চলে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী, কয়েক হাজার অতিরিক্ত সৈন্য, যুদ্ধবিমান এবং গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার পাঠাচ্ছে।

উত্তর ক্যারোলিনায় এক সামরিক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প ইরানের বর্তমান সরকার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘এটিই (সরকার পরিবর্তন) হবে সবচেয়ে ভালো ঘটনা।’ তিনি সরাসরি কারও নাম না নিলেও বলেছেন যে, ইরানের দায়িত্ব নেওয়ার মতো ‘যোগ্য লোক আছে’।

উল্লেখ্য, গত মাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের অভিযানে ট্রাম্প বিশেষ বাহিনীর ওপর আস্থা রেখেছিলেন, যা তার আগ্রাসী মনোভাবের পরিচয় দেয়।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র আনা কেলি এই বিষয়ে মন্তব্য করে বলেছেন, ‘ইরানের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য সব পথই খোলা আছে। তিনি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।‘

গত বছর ‘মিডনাইট হ্যামার’ অপারেশনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে স্টিলথ বোমারু বিমান দিয়ে হামলা চালিয়েছিল। সেটি ছিল মূলত একটি বিচ্ছিন্ন আক্রমণ। কিন্তু কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের পরিকল্পনা অনেক বেশি জটিল।

এবার কেবল পারমাণবিক কেন্দ্র নয়, বরং ইরানের রাষ্ট্রীয় এবং নিরাপত্তা অবকাঠামোগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, দীর্ঘমেয়াদী অভিযান শুরু হলে ইরানও বসে থাকবে না। ইরানের বিশাল মিসাইল ভাণ্ডার ব্যবহার করে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে (যেমন- কাতার, জর্ডান, কুয়েত বা সৌদি আরব) পালটা আঘাত করতে পারে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলে তাতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত ইরানের সাবেক শাহ-র ছেলে রেজা পাহলভী দাবি করেছেন, মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ ইরানের বর্তমান সরকারকে পতনের দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং এটি সাধারণ মানুষের জীবন বাঁচাতে সহায়ক হবে।

ইরান অবশ্য জানিয়েছে তারা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার শর্তে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে রাজি, তবে তাদের মিসাইল কর্মসূচি নিয়ে কোনো আপস করবে না।

বিজ্ঞাপন

নিয়োগ দিচ্ছে ঢাকা ব্যাংক
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫২

আকিজ গ্রুপে কাজের সুযোগ
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৮

চাকরি দিচ্ছে আরএফএল
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৪

আরো

সম্পর্কিত খবর