Tuesday 07 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঈদের আগেই সারাদেশে হামের টিকাদান সম্পন্নের লক্ষ্য সরকারের: তথ্য উপদেষ্টা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৪৭

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

ঢাকা: সরকার পবিত্র ঈদুল আযহার (২১ মে) আগেই দেশের সকল শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে হামের নতুন প্রাদুর্ভাব একটি আলোচিত বিষয়।

তিনি বলেন, ‘অতীতে টিকাজনিত যে সংকট তৈরি হয়েছিল, তার প্রভাব এখন বর্তমান সরকারের ওপর এসে পড়েছে। এই সমস্যাটি আসলে বিগত সরকারের আমলে সৃষ্টি হয়েছে, তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছে।’

বিজ্ঞাপন

ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, বর্তমানে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ ময়মনসিংহ ও বরিশালে টিকা দেওয়া শুরু হবে এবং ৩ মে থেকে সারাদেশে একযোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি আরও জানান, টিকাদান ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে; প্রথমে ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা হটস্পটে কাজ শুরু হবে এবং পরবর্তীতে মাঠ পর্যায়ের প্রস্তুতি ও রোগের তীব্রতা বিবেচনা করে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে। সরকারের মূল লক্ষ্য ২১ মে’র মধ্যে পুরো কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা।

হামের ভয়াবহতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ বলেন, ‘হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ও সংক্রামক রোগ, যা দ্রুত একজনের শরীর থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে পড়তে পারে।’

তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া বর্তমান জরুরি অবস্থায় স্বাস্থ্যকর্মীদের সকল ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

উপদেষ্টা অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ হওয়া সত্ত্বেও শিশুদের মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। ভবিষ্যতে যাতে গাফিলতির কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।’

এ ছাড়াও তিনি জানান, স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে সরকার দ্রুত সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেল অনুসরণ করবে এবং ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার ৮০ শতাংশই হবেন নারী।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর