Sunday 22 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

২০ বছর-মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের রি-ইস্যু নিলাম মঙ্গলবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৯

বাংলাদেশ ব্যাংক। ছবি কোলাজ: সারাবাংলা

ঢাকা: বাংলাদেশ সরকার ২০ বছর-মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড বিক্রয়ের (রি-ইস্যু) লক্ষ্যে একটি নিলাম আয়োজন করতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলা‌দেশ ব্যাং‌কের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স থে‌কে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিলাম নোটিশ অনুযায়ী, এ নিলামে ১ হাজার কোটি টাকা অভিহিত মূল্যের ২০ বছর-মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড রি-ইস্যু করা হবে। সংশ্লিষ্ট বন্ডটির ইস্যু তারিখ ২০ মে ২০২০ এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ২০ মে ২০৪০। বন্ডটির কুপন হার ৯ দশমিক ২০ শতাংশ এবং আইএসআইএন নম্বর বি‌ডি 0940401203 (০৯৪০৪০১২০৩)। বর্তমানে বন্ডটির অবশিষ্ট মেয়াদ প্রায় ১৪ দশমিক ২৩ বছর।

বিজ্ঞাপন

নিলামটি হবে প্রাইজ-ভিত্তিক, অর্থাৎ অভিহিত মূল্য প্রতি ১০০ টাকার বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা যে দামে বন্ড কিনতে আগ্রহী, সেই মূল্য উল্লেখ করে বিড দাখিল করতে হবে। এই নিলামে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে কেবলমাত্র সরকারি সিকিউরিটিজের প্রাইমারি ডিলার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলোর জন্য।

তবে, অন্যান্য ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলো তাদের ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী গ্রাহকের পক্ষে (যাদের বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কোনো চলতি হিসাব নেই) সংশ্লিষ্ট প্রাইমারি ডিলারের মাধ্যমে নিলামে বিড দাখিল করতে পারবে।

নিলামের দিন ২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে এফএমআই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিড দাখিল করতে হবে। প্রতিটি বিডে অভিহিত মূল্য প্রতি ১০০ টাকার বিপরীতে কাঙ্ক্ষিত মূল্য এবং বন্ড ক্রয়ের পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বিশেষ কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে পূর্বে অনুসৃত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বিড দাখিলের সুযোগ রাখা হতে পারে। নিলামে অংশগ্রহণের বিস্তারিত পদ্ধতিগত নির্দেশনা ইতোমধ্যে প্রাইমারি ডিলারসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে পত্রযোগে পাঠানো হয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি এই ট্রেজারি বন্ডের রি-ইস্যু সরকারের বাজেট ঘাটতি ব্যবস্থাপনা এবং দেশীয় ঋণ বাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি বন্ড মার্কেটে তারল্য বাড়াতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর